রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ।। ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘ইসলামি রাজনীতির কর্মীদের আদর্শিক দৃঢ়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতা জরুরি’ নোয়াখালীতে নূরানী বোর্ডের ষান্মাসিক জোড় অনুষ্ঠিত  ‘সমালোচনার ক্ষেত্রেও আল্লাহভীতি ও শালীনতার পরিচয় দেওয়া উচিত’ কানাডায় মসজিদের ইমামের ওপর হামলা উদ্বোধনের আগেই মডেল মসজিদে ফাটল! ‘সংসদে আমিরে মজলিসকে নিয়ে বক্তব্য অনভিপ্রেত ও বিভ্রান্তিকর’ প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, আলোচনায় সামরিক সহযোগিতাসহ ১৭ চুক্তি ইসলামী ছাত্র মজলিসের স্কিলস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত সুইজারল্যান্ডে ইরানের প্রতিনিধি দল, যাচ্ছেন ভ্যান্স-শাহবাজ ও আসীম মুনির দুপুরের মধ্যে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

হিংস্র আচরণ করে বাঙালিদের আলাদা করে দিয়েছি: নওয়াজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

একাত্তরে বাঙালিদের ওপর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নির্মমতার কথা স্বীকার করে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ বলেছেন, হিংস্র আচরণ করে বাঙালিদের আমরা নিজেদের থেকে আলাদা করে দিয়েছি।

মঙ্গলবার ইসলামাবাদের পাঞ্জাব হাউজে নিজ দলের প্রতিনিধি সম্মেলনে দেয়া বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। খবর: ডন উর্দু। নওয়াজ শরীফ বলেন, ‘পাকিস্তান তৈরিতে সবচেয়ে বেশি চেষ্টা-কষ্ট করেছে বাঙালিরা। কিন্তু আমরা তাদের সঙ্গে হিংস্র আচরণ করেছি এবং নিজেদের থেকে আলাদা করে দিয়েছি। ফলে পাকিস্তান দুই টুকরো হয়ে গেছে।’

সাবেক এই পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এসব বিষয় অধ্যয়ন করার প্রয়োজন রয়েছে। ১৯৭১ সালে আমরা এমন কী কী করেছি যার ফলে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের আবেগ আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। এরা তো সেই জনগণ ছিল, যারা কায়েদে আজমের (মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ) সঙ্গে পাকিস্তান বানাতে নিয়ামকের ভূমিকা রেখেছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা ভাগ হয়ে যাওয়া নিয়ে বিচারপতি হামুদুর রহমান যে কমিশন গঠন করেছিলেন, তারা সব খুঁটিনাটি কারণ উদ্ঘাটন করেছিলেন এবং সত্য প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু আমাদের কেউ ওই কমিশনের রিপোর্ট আমলে নেয়নি। আমরা যদি সে অনুযায়ী কাজ করতাম, তাহলে আজকের পাকিস্তান ভিন্ন রকম হতো।’

ফেডারেল ব্যবস্থা এবং সংবিধানে মুসলিমদের সুরক্ষা প্রদানে হিন্দুদের বিরোধিতার কারণে ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান ভাগ হয়। ভূখণ্ড ভাগে ন্যায্যতার দাবিতে চলা আন্দোলনে জিন্নাহর নেতৃত্বে অগ্রভাগেই ছিলেন বাঙালি নেতারা।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিকতন্ত্রের শোষণের মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ নামে নতুন দেশের অভ্যুদয় হয়।

তবে পাকিস্তান বাহিনীর গণহত্যা ও গণধর্ষণের মতো নিষ্ঠুরতা কারণে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছিল। এতে শহীদ হয়েছিলেন ৩০ লাখ বাঙালি আর সম্ভ্রম হারিয়েছেন লাখো বাঙালি নারী।

এমনকি স্বাধীনতার মাত্র দু’দিন আগে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। পাক হানাদার বাহিনীকে একাজে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনীর সদস্যরা। জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা এসব বাহিনী গঠন করেছিল।

সূত্র : পরিবর্তন


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ