শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীতে ‘বযমে নাতে মুস্তফা (সা.)’ অনুষ্ঠিত দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর ‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ

মাওলানা আবদুল জব্বার রহ. এবং একটি অলৌকিক ঘটনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ আল মামুন: কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের মহাসচিব আবদুল জব্বার জাহানাবাদী রহ. ইন্তেকালের তিন মাস আগে বেফাকের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা আবু ইউসুফের হাতে ৩৫০০ টাকাসহ একটা লিস্ট দিয়ে বলেছিলেন, মাওলানা এটা আপনার কাছে রাখেন। এই টাকা দিয়ে আমার কাফন দাফনের ব্যবস্থা করবেন।

এর তিন মাস পর ঢাকার একটি হাসপাতালে হুজুরের ইন্তেকাল হয়। ইন্তেকালের সময় মাওলানা আবু ইউসুফ হুজুরের কাছেই ছিলেন। হুজুরের মাথা আবু ইউসুফের হাতের উপরে ছিলো।

মাওলানা আবু ইউসুফ বলেন, যখন হাসপাতাল থেকে খরচের বিল আসল, তখন তিনি লক্ষ করে দেখলেন কাফন বাবদ বিল ৩৫০০ টাকাই এসেছে এবং হুজুর যেভাবে খরচের তালিকা করেছিলেন হুবুহু সেভাবেই খরচের তালিকা এসেছে।

[উল্লেখ্য, ইদানিং অনেক হাসপাতালে রোগীর ইন্তেকাল হলে কাফনের পুরো ব্যবস্থা করে এরপর হাসপাতাল থেকে বের করা হয়।]

বেফাকের জন্য এবং কওমি মাদরাসার জন্য মাওলানা আবদুল জব্বার জাহানাবাদীর অবদান জাতির কাছে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বেফাকের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে বিশাল ত্যাগ ও কুরবানির দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।

উল্লেখ্য তিনি গতবছর ১৮ নভেম্বর শুত্রুবার সকালে ঢাকার হলি ফ্যামেলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তিকাল করেন। আজ তার ইন্তেকালের এক বছর পূর্ণ হলো। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন। আমিন।

মাওলানা আবদুল জব্বার রহ. বেফাককে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ