শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

মসজিদ বন্ধ করার খাহেশ পূরণ হলো না লে পেনের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : বিশ্বব্যাপী যখন উগ্র জাতীয়তাবাদ ও রংক্ষণশীল অর্থনীতির উত্থান ঘটছে, তখন ফ্রান্সের জনগণ অতি ডানপন্থী ও মুসলিম বিদ্বেষী লে পেনকে প্রত্যাখ্যান করলো। সদ্যসমাপ্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মধ্যপন্থী ইমানুয়েল ম্যাক্রন জয় পেয়েছেন। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছে ফ্রান্সের মুসলিম সম্প্রদায়।

রবিবার অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ম্যাক্রন পেয়েছেন ৬৬.৬ শতাংশ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উগ্র-ডানপন্থী মেরিন লে পেন পেয়েছেন ৩৩.৯৪ শতাংশ ভোট। গত নির্বাচনে লে পেন পেয়েছিলেন ১৮ শতাংশ ভোট।

১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এফএন ঐতিহাসিকভাবে ইউরোপবিরোধী, অভিবাসনবিরোধী দল। নির্বাচনি প্রচারণায় লে পেন বর্ণবাদী, অভিবাসী ও মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্যকে হাতিয়ার করে। সে নির্বাচিত হলে মসজিদ বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলো।

ম্যাক্রো নির্বাবিচত হওয়ায় ফ্রান্সের মুসলমানদের স্বস্তি

ফ্রান্সের নতুন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন

তবে এবারের নির্বাচনকেই শেষকথা মানতে নারাজ অনেকেই। জ্যঁ জুরেস ফাউন্ডেশনের অবজারভেটরি অব র‍্যাডিক্যাল পলিটিকসের পরিচালক জ্যঁ-ইভ কামু বলেন, ‘নির্বাচনে বড় হারের কারণে এফএন হারিয়ে যাচ্ছে না। যদি এ অবস্থা চলতে থাকে, তাহলে ২০২২ সালের নির্বাচনে লে পেনের এফএনের উত্থান দেখা যেতে পারে।’

ছয় বছর আগে লে পেন এফএনের নেতৃত্বে আসার পর দলটির জনসমর্থন ব্যাপকহারে বেড়েছে। স্থানীয় নির্বাচনেও অংশগ্রহণ বেড়েছে দলটির। লে পেন দলের দায়িত্বে আসার পর তিনি মূলধারার দলগুলোর মতোই রাজনীতিতে অংশ নিয়েছেন। তিনি উগ্র জাতীয়তাবাদী ও

জনপ্রিয়তাবাদী প্রচারণাকেও উসকে দিতে সক্ষম হন। তিনি নিজেকে ‘জনগণের প্রার্থী’ বলে প্রচারণা চালান। সেই সঙ্গে অভিবাসন, শরণার্থী ও মুসলিম বিদ্বেষ, ইইউ, ইউরো, বিশ্বায়ন, বিদেশি শ্রমিক ও কর ব্যবস্থাকে সামনে রেখে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তাবাদী, উগ্র-জাতীয়তাবাদী প্রচারণা চালান। দলটি সম্প্রতি অভিবাসনবিরোধী ও ইসলাম বিদ্বেষী উসকানির প্রচারণা এমন পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে, ডানপন্থী, মধ্যপন্থী ও বামপন্থীদের মধ্যেও এর প্রসার দেখা যায়।

নির্বাচনে জয়ের পর বিজয় ভাষণে বিভক্তির বিপরীতে ঐক্যের প্রশ্নে ম্যাক্রন  বলেন, ‘আমি আপনাদের ক্ষোভ, উৎকণ্ঠা, শঙ্কার কথা শুনেছি। যেসব শক্তি ফ্রান্সকে বিভক্ত করে পদানত করতে চায়, আমি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাব। আমি জাতীয় ঐক্য নিশ্চিত করবো। ইউরোপের ঐক্য নিশ্চিত করবো। পুরো বিশ্ব আজ আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।’

-এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ