বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ।। ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
শুরু হচ্ছে আওয়ার ইসলামের ভাষা, সাহিত্য ও সাংবাদিকতা কোর্সের ১৬তম ব্যাচ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে সমাবেশ ও গণমিছিল করবে ইসলামী আন্দোলন চট্টগ্রাম প্রাইভেট মাদরাসা অ্যাসোসিয়েশনের ১০ দফা নির্দেশনা পাকিস্তানের শীর্ষ আলেম মাওলানা আজিজুর রহমান জালন্ধরীর ইন্তেকাল টেকসই নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জে ইসলামি দলগুলো মসজিদে নববীর কোরআন ও হাদিস শিক্ষার কার্যক্রম পরিদর্শনে মদিনার গভর্নর ‘জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে জমিয়তকে এগিয়ে আসতে হবে’ শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী আল-আজহারে দারুল আরকামের ১৫ শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার সুযোগ, সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত জাপানে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮

২০ বছর পর কাবুলে ফিরলেন গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাবেক আফগান সেনা কমান্ডার গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার দেশটির সরকারের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর রাজধানী কাবুলে ফিরে গেছেন। গত ২০ বছরের মধ্যে এই প্রথম তিনি কাবুলে প্রবেশ করলেন।

তালেবানের পর আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিলিশিয়া বাহিনীর কমান্ডার হেকমতিয়ার বৃহস্পতিবার কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে মোটর শোভাযাত্রা করে কাবুলে প্রবেশ করেন। সমর্থকদের কয়েকশ’ গাড়ি তার গাড়ির বহরকে স্বাগত জানায়।

হেকমতিয়ারের গাড়ির বহরে ছিল মূলত মেশিনগানবাহী পিক-আপ। সমর্থকরা জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার পাশাপাশি ‘সম্মানিত হেকমতিয়ার, কাবুলে স্বাগতম’ বলে ধ্বনি দেয়।

প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ারকে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে বরণ করে নেন।  ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার ডাকে সাড়া’ দেয়ার জন্য হেকমতিয়ারকে ধন্যবাদ জানান গনি।

গত বছর সেপ্টেম্বরে আশরাফ গনি সরকারের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে উপনিত হন হেকমতিয়ার। ওই চুক্তিতে হেকমতিয়ার ও তার অনুসারীদেরকে অতীত অপরাধী কর্মকাণ্ড থেকে সম্পূর্ণ দায়মুক্তি দিয়ে তাকে রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর অধিকার দেয়া হয়।

এরপর ফেব্রুয়ারিতে কাবুলের অনুরোধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ হেকমতিয়ারের বিরুদ্ধে আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পাশাপাশি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর নামের তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেয়া হয়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই চুক্তির বিরোধিতা করে।

১৯৮০’র দশকে তৎকালীন দখলদার সোভিয়েত সেনাদের বিরুদ্ধে মুজাহিদ বাহিনীর অন্যতম কমান্ডার ছিলেন হেকমতিয়ার। কিন্তু ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সালের গৃহযুদ্ধে তার বাহিনী হাজার হাজার বেসামরিক মানুষকে হত্যা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই গৃহযুদ্ধের সুযোগ আফগানিস্তানে তালেবানের উত্থান হয় এবং ১৯৯৬ সালে তালেবান দেশটির ক্ষমতা দখল করলে হেকমতিয়ার কাবুল থেকে পালিয়ে যান।

জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞামুক্ত হলেন গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ