শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে

ভিক্ষুদের রোষানলে এবার ইয়াঙ্গুনে মাদরাসা বন্ধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মিয়ানমারের এবার সাম্প্রদায়িক বৌদ্ধ ভিক্ষুদের দাবির মুখে বন্ধ হচ্ছে মাদরাসা। এর ফলে ইয়াঙ্গুন শহরে মুসলিম শিশুদের শিক্ষা হুমকির মুখে পড়বে।

প্রায় ১৫-২০ জন ভিক্ষু ও তাদের শতাধিক সমর্থক শুক্রবার বিকেলে দুটি মাদরাসার কাছে সমবেত হয়। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে তারা দাবি তোলে যেন মাদরাসা ভবনগুলো বন্ধ করে দেয়। এই সময় অদূরেই দাঁড়িয়ে ছিল পুলিশ।

প্রায় তিন ঘন্টা বাদানুবাদের পর কর্মকর্তারা ভবনগুলো বন্ধ করতে সম্মত হয়। ভিক্ষুরা দাবি তুলেছেন, ভবনগুলো অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছে।

২০১২ সালে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বৌদ্ধ ও মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের মধ্যে সহিংসতা শুরু হওয়ার পর থেকেই মিয়ানমারের বৌদ্ধ ও মুসলমানদের মধ্যে সহিংসতা ও দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে পড়ে। রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে অভিযোগ করা হয় তারা বাংলাদেশ থেকে রাখাইন প্রদেশে প্রবেশ করেছে।

বিক্ষোভকারী ভিক্ষু ও তাদের খুশি করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে খুব ভালোভাবেই মাদরাসাগুলো বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাগ্যে কি ঘটবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতা তিন শোয়ে বলেন, ‘আজকে যা ঘটলো তা আমার কাছে খুবই দুঃখজনক। আমার কাছে মনে হচ্ছে, আমাদের ধর্ম নিয়ে খেলা করা হচ্ছে। এসব ভবন নির্মিত হয়েছে বহু বছর আগে এবং আমাদের বিভিন্ন প্রজন্ম এগুলোর দেখাশোনা করে আসছে।

এর আগে মুসলিমবিরোধী কার্যক্রম চলেছে ইয়াংগুনের বাইরে। এসব কার্যক্রমের লক্ষ্য ছিল মুসলিমদের প্রাতিষ্ঠানিক ভবনগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য স্থানীয় কর্মকর্তাদের উপর চাপ প্রয়োগ করা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব রাজনৈতিককর্মীরা ভবন দখল করে নিয়েছে এবং সেগুলোর অবকাঠামো তছনছ করে দিয়েছে।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা এলাকায় প্রাচীন মসজিদে জ্বালিয়ে দিল চরমপন্থীরা


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ