বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ।। ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা  শুরু হচ্ছে আওয়ার ইসলামের ভাষা, সাহিত্য ও সাংবাদিকতা কোর্সের ১৬তম ব্যাচ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে সমাবেশ ও গণমিছিল করবে ইসলামী আন্দোলন চট্টগ্রাম প্রাইভেট মাদরাসা অ্যাসোসিয়েশনের ১০ দফা নির্দেশনা পাকিস্তানের শীর্ষ আলেম মাওলানা আজিজুর রহমান জালন্ধরীর ইন্তেকাল টেকসই নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জে ইসলামি দলগুলো মসজিদে নববীর কোরআন ও হাদিস শিক্ষার কার্যক্রম পরিদর্শনে মদিনার গভর্নর ‘জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে জমিয়তকে এগিয়ে আসতে হবে’ শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী আল-আজহারে দারুল আরকামের ১৫ শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার সুযোগ, সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

‘আন্দোলনকারীরা কখনো রামপালের নির্মাণাধীন প্রকল্প পরিদর্শন করেনি’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

hasina6আন্দোলনকারীরা কোনোদিনও রামপালের নির্মাণাধীন প্রকল্প পরিদর্শন করেনি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এটি আদৌ সুন্দরবেনের কোনো ক্ষতি করবে কি না সে বিষয়েও তারা নিশ্চিত নয়।

শনিবার দুপুরে প্রকৌশলীদের সংগঠন ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স'র (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রে সংগঠনের ৫৭তম জাতীয় কনভেশন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি দাবি করেন, 'রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরনের পরিবেশে আদৌ কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে না।'

রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সুন্দরবনের দূরত্ব এবং প্রকল্পের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হচ্ছে রামপালে, সুন্দরবনে নয়।'

তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি সুন্দরবনের বহিঃসীমার ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং সুন্দরবনের ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া এলাকা থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে। কাজেই এই প্রকল্পের দ্বারা সুন্দরবনের কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই।

সরকার দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এই সময়েই একটি গোষ্ঠী রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে রাজধানীতে বসে কথা তুলছে এবং বিশ্বব্যাপী এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

'তারা রাজধানীতে বসেই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ...যদিও এদের মধ্যে অনেকেই কোনোদিনও রামপালে যায়নি' যোগ করেন তিনি।

বড় পুকুরিয়ার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রসঙ্গে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে দুটি সাব ক্রিটিক্যাল পাওয়ার প্লান্ট থাকার পরেও সেখানকার ঘনবসতিপূর্ণ এবং সবুজ এলাকার পরিবেশে কোনো বিরূপ প্রভাব পড়েনি। উপরন্তু জমির উর্বরতা বেড়েছে এবং সেখানে এখন প্রচুর ধান উৎপাদন হয়।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ