বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
উত্তর প্রদেশে বিজেপিকে ঠেকাতে জোটের প্রস্তাব ওআইসির এবার মদিনার আকাশে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ধ্বংস করল সৌদি জোট গুলশানে দুই দিনের সুগন্ধি মেলা শুরু হচ্ছে শুক্রবার এক বছরে মাদরাসায় শিক্ষার্থী বেড়েছে ৪৩ হাজার মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজ, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হাটহাজারীতে আলেম ও তাঁর শাশুড়িকে নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন: আল-হাইআতুল উলয়া লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত মুফতি তাকি উসমানি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ

রোহিঙ্গা গণহত্যা-নির্যাতনের প্রমাণ পায়নি মিয়ানমারের তদন্ত কমিশন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

rohinga17আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের মংডুতে কোন ধরনের গণহত্যা বা ধর্মীয় নিপীড়নের অভিযোগের সত্যতা পায়নি দেশটির সরকার কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিশন।সংবাদ বিবিসির।

রোহিঙ্গা মুসলিমদের পুলিশী নির্যাতনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর চার পুলিশ কর্মকর্তাকে আটকের ঘটনার একদিন পর তদন্ত কমিশনের রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়েছে মিয়ানমারের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, "মংডুর বাঙ্গালি অধিবাসীদের সংখ্যা, মসজিদ ও ধর্মীয় স্থাপনাই প্রমাণ করে সেখানে কোন গণহত্যা বা নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি"।

কমিশন বলছে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর তাদের জানিয়েছে যে দায়িত্বে থাকা কারও বিরুদ্ধে ধর্ষণ, অবৈধ আটক, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ সেগুলোর বিষয়ে যথাযথ প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তারা প্রস্তুত রয়েছে।

ধর্ষণের বিষয়ে তদন্তের সময় গ্রামবাসী ও স্থানীয় নারীদের সাথে কথা বলে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ পায়নি বলে ওই রিপোর্টে দাবি করেছে তদন্ত কমিশন।

আর অগ্নিসংযোগ, অবৈধ আটক ও নির্যাতনের অভিযোগ এখনো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত অক্টোবরে রাখাইনে বিরুদ্ধে সেনা অভিযানে ব্যাপকভাবে রোহিঙ্গাদের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় বহু রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় এবং প্রাণ বাঁচাতে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।

যদিও মিয়ানমারের তরফ থেকে শুরু থেকেই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা হয়।

জাতিসংঘ-সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অনেকেই এসব ঘটনায় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ভূমিকার তীব্র সমালোচনাও করেছে।

এমন পটভূমিতে অভিযোগ গুলো তদন্তের ঘোষণা আসে মিয়ানমারের দিক থেকে তবে এ তদন্ত কমিশন নিয়েও বিতর্ক হয়েছে, কারণ তদন্ত কমিশনের প্রধান করা হয়েছে একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা যাকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র কালো তালিকাভুক্ত করেছে।

ডিএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ