বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

পাকিস্তানে চালু হচ্ছে ‘হিন্দু বিবাহ আইন’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

marrigeআওয়ার ইসলাম: স্বাধীনতার ৭০ বছর পর অবশেষে স্বস্তি পাচ্ছেন পাকিস্তানে বসবাসরত হিন্দু নারীরা। পাকিস্তানে আইনে পরিণত হচ্ছে হিন্দু ম্যারেজ বিল ২০১৬। পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ইতোমধ্যেই বিলটি পাস হয়েছে। এবার পাক সিনেটে বিলটি পাশ হয়ে গেলেই সেটি আইনে পরিণত হবে বলে জানা গিয়েছে।

পাক ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সংখ্যালঘু সদস্য রমেশ কুমার জানিয়েছেন, "এই বিল পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দুদের জন্য নতুন বছরের উপহার। "

জানা গেছে, বর্তমানে পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দুরা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১.৬ শতাংশ। দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তানে হিন্দুদের জন্য আলাদা কোনও বৈবাহিক আইন ছিল না। তারা তাদের বিয়ে সরকারের খাতায় নথিভুক্ত করতে পারতেন না। ফলে বহু ক্ষেত্রে প্রবল অসুবিধার সম্মুখীন হতে হত তাদের। বিলটি আইনে পরিণত হলে একমাত্র সিন্ধ প্রদেশ ছাড়া গোটা দেশেই তা চালু হবে। কারণ সিন্ধ গতবছর পৃথক একটি বিল পাশ করিয়েছে।

বিলটি পাশ হয়ে গেলে পাকিস্তানের হিন্দুরা একটি নিজস্ব পারিবারিক আইন পাবেন। এর ফলে পাক হিন্দুরা তাদের বিয়ে নথিভুক্ত করতে পারবেন। এতদিন সেই অধিকার ছিল না। এবার বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য তারা আদালতেও ‌যেতে পারবেন।

বিবাহ নথিভুক্ত করলে পাওয়া ‌যাবে একটি সার্টিফিকেট। নিকাহনামার সমান ম‌র্যাদা পাবে এটি। এই আইনে হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে স্বামীর মৃত্যুর পর অপেক্ষা করতে হবে ৬ মাস।

ডিএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ