বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ।। ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২৩ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রত্যেক শহীদের রক্তের প্রতিশোধ নেবে ইরান: মোজতবা খামেনি বিরোধী দলের ওয়াকআউট নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ ডিএমপির মার্চ মাসজুড়ে পরিশোধিত জ্বালানি তেল রফতানি নিষিদ্ধ করল চীন  ‘দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ’ যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ১ হাজারের বেশি শিশু হতাহত উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিশুদের মাঝে বিআরএফের ঈদ উপহার ত্রয়োদশ সংসদে শোক প্রস্তাবে নিজামী, সাঈদী, হাদিসহ বিভিন্ন নেতার নাম ত্রয়োদশ সংসদে রাষ্ট্রপতির নাম ঘোষণার পরই হট্টগোল

পাকিস্তানে চালু হচ্ছে ‘হিন্দু বিবাহ আইন’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

marrigeআওয়ার ইসলাম: স্বাধীনতার ৭০ বছর পর অবশেষে স্বস্তি পাচ্ছেন পাকিস্তানে বসবাসরত হিন্দু নারীরা। পাকিস্তানে আইনে পরিণত হচ্ছে হিন্দু ম্যারেজ বিল ২০১৬। পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ইতোমধ্যেই বিলটি পাস হয়েছে। এবার পাক সিনেটে বিলটি পাশ হয়ে গেলেই সেটি আইনে পরিণত হবে বলে জানা গিয়েছে।

পাক ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সংখ্যালঘু সদস্য রমেশ কুমার জানিয়েছেন, "এই বিল পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দুদের জন্য নতুন বছরের উপহার। "

জানা গেছে, বর্তমানে পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দুরা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১.৬ শতাংশ। দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তানে হিন্দুদের জন্য আলাদা কোনও বৈবাহিক আইন ছিল না। তারা তাদের বিয়ে সরকারের খাতায় নথিভুক্ত করতে পারতেন না। ফলে বহু ক্ষেত্রে প্রবল অসুবিধার সম্মুখীন হতে হত তাদের। বিলটি আইনে পরিণত হলে একমাত্র সিন্ধ প্রদেশ ছাড়া গোটা দেশেই তা চালু হবে। কারণ সিন্ধ গতবছর পৃথক একটি বিল পাশ করিয়েছে।

বিলটি পাশ হয়ে গেলে পাকিস্তানের হিন্দুরা একটি নিজস্ব পারিবারিক আইন পাবেন। এর ফলে পাক হিন্দুরা তাদের বিয়ে নথিভুক্ত করতে পারবেন। এতদিন সেই অধিকার ছিল না। এবার বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য তারা আদালতেও ‌যেতে পারবেন।

বিবাহ নথিভুক্ত করলে পাওয়া ‌যাবে একটি সার্টিফিকেট। নিকাহনামার সমান ম‌র্যাদা পাবে এটি। এই আইনে হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে স্বামীর মৃত্যুর পর অপেক্ষা করতে হবে ৬ মাস।

ডিএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ