বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ।। ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২৩ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রত্যেক শহীদের রক্তের প্রতিশোধ নেবে ইরান: মোজতবা খামেনি বিরোধী দলের ওয়াকআউট নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ ডিএমপির মার্চ মাসজুড়ে পরিশোধিত জ্বালানি তেল রফতানি নিষিদ্ধ করল চীন  ‘দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ’ যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ১ হাজারের বেশি শিশু হতাহত উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিশুদের মাঝে বিআরএফের ঈদ উপহার ত্রয়োদশ সংসদে শোক প্রস্তাবে নিজামী, সাঈদী, হাদিসহ বিভিন্ন নেতার নাম ত্রয়োদশ সংসদে রাষ্ট্রপতির নাম ঘোষণার পরই হট্টগোল

ধর্ম ও ভাষার নামে ভোট চাওয়া যাবে না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

india2আওয়ার ইসলাম: ধর্ম বা ভাষার নামে ভোট চাওয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচন একটি ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়, তাই জাত-পাত, ধর্ম-বর্ণের নামে ভোট চাওয়া যাবে না বলেও রায়ে বলেন আদালত।

আজ সোমবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ধর্ম, বর্ণ, জাতি, সম্প্রদায় অথবা ভাষার নামে ভোট চাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।

দেশটির প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেন। আগামীকাল মঙ্গলবার অবসরে যাওয়ার আগে দেওয়া এই রায়ে প্রধান বিচারপতি ঠাকুর বলেন, সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ তত্ত্ব অনুযায়ী নির্বাচনে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা বাধ্যতামূলক।

রায় ঘোষণার সময় টি এস ঠাকুর আরো বলেন, ‘মানুষ এবং স্রষ্টার মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ একটি ব্যক্তিগত বিষয়। এর সঙ্গে রাষ্ট্র ও নির্বাচনব্যবস্থার কোনো সম্পর্ক নেই।’

রায়ে বলা হয়, রাষ্ট্রের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন জনপ্রতিনিধিকে ধর্মনিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ধর্মের কোনো ভূমিকা নেই, এটা পুরোপুরি ধর্মনিরপেক্ষ কাজ। রাজ্য এবং ধর্মকে মেলানো সাংবিধানিকভাবে অনুমোদনযোগ্য নয়।

কিন্তু সাত বিচারপতির মধ্যে তিনজন এই রায়ে ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, এই রায় গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া তাদের খবরে জানায়, এমন একটি সময়ে সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিলেন, যখন সম্প্রতি ভারতের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। আর এই রাজ্যগুলোর নির্বাচনে ধর্মবিশ্বাস এবং বর্ণপ্রথা একটি প্রধান সমস্যা। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশের ভোটের রাজনীতিতে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ এবং পাঞ্জাবের রাজনীতিতে শিখ ও হিন্দু বিরোধ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ