বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
উত্তর প্রদেশে বিজেপিকে ঠেকাতে জোটের প্রস্তাব ওআইসির এবার মদিনার আকাশে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ধ্বংস করল সৌদি জোট গুলশানে দুই দিনের সুগন্ধি মেলা শুরু হচ্ছে শুক্রবার এক বছরে মাদরাসায় শিক্ষার্থী বেড়েছে ৪৩ হাজার মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজ, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হাটহাজারীতে আলেম ও তাঁর শাশুড়িকে নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন: আল-হাইআতুল উলয়া লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত মুফতি তাকি উসমানি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ

আল্লামা আজমির জন্য দেওবন্দে ইসালে সওয়াব অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাওলাদার জহিরুল ইলসাম
দেওবন্দ থেকে

deubond10উম্মুল মাদারিস দারুল উলুম দেওবন্দের প্রয়াত শায়খুল হাদিস আল্লামা আবদুল হক আজমি রহ. এর রুহের মাগফিরাত কামনায় দেওবন্দে ইসালে সওয়াব দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ স্থনীয় সময় বিকেল ৩টায় কদিম দারুল হাদিসের নিচতলায় প্রথমে কুরআন ও কালেমায়ে তাইয়্যেবার খতম পড়া হয়৷

পরে সিনিয়র মুহাদ্দিসদের মধ্যে আল্লামা কমরুদ্দিন প্রয়াত আল্লামা আজমি সম্পর্কে স্মৃতিচারণমূলক সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন৷

আল্লামা আজমির দীর্ঘ দিনের সাথী সিনিয়র মুহাদ্দিস আল্লামা হাবিবুর রহমান আজমি স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমি হজরত আবদুল হক সাহেবকে অত্যন্ত কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি৷ তার মতো গভীর জ্ঞানের অধিকারী হাদিস বিশারদ কমই দেখেছি৷ তিনি যৌবনে ইলমে হাদিস, ইলমে ফিকহের জন্য যে পরিমাণ পরিশ্রম করতেন তার তুলনা খুঁজে পাওয়া মুশকিল৷ তিনি কতো বড় মাপের আলেম ও মুহাদ্দিস ছিলেন তা এখনকার কেউ বুঝতে পারবে না৷ শেষ বয়সে হজরত অসুস্থ হয়ে পড়ায় তার ইলমি রওনক আপনারা দেকতে পারেন নি৷’

তিনি আরো বলেন, ‘মাওলানা আবদুল হক আজমি অত্যন্ত অমায়িক ব্যক্তি ছিলেন৷ তিনি কারো প্রতি রাগ করে থাকতে পারতেন না৷ কোনো কারণে অসন্তুষ্ট হলে পাঁচ মিনিট পরেই স্বাভাবিক হয়ে যেতেন৷’ এসময় তিনি বার বার কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন৷ ছাত্রদের চোখও অশ্রুতে ভিজে ওঠে তখন৷

নিজেকে সামলে নিয়ে হাবিবুর রহমান বলেন, ‘নবীদের ব্যতীত দুনিয়ার কেউই মাসুম(ভুলের উর্ধ্বে) নন৷ তাই জনাবের থেকে হুকুুকুল ইবাদের ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি হলে সবাই তাকে মাফ করে দিয়ে তার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন৷ আমি নিজেকে ঠিক রাখতে পারছি না৷ কথা বের হচ্ছে না ভেতর থেকে৷ হজরতের ইন্তেকালে আমি কী পরিমাণ শোকাহত তা কাউকে বলে বুঝাতে পারবো না৷’ এ বলে তিনি কথা শেষ করেন৷

শেষে হজরত মুহতামমি আল্লামা আবুল কাসেম নোমানি দোয়ার পূর্বে বলেন, ‘যিনি চলে যান তার জায়গা খলি করেই যান৷ কেউ তার জায়গা পূরণ করতে পারে না৷ যিনি পরবর্তীতে আসেন তিনি নিজের অবস্থান নিয়েই আসেন৷’

আরো বলেন, ‘মাওলানা আবদুল হক সাহেব যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকেন তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন৷ তার জন্য দোয়া করবেন৷ আর তাকে যদি কেউ কষ্ট দিয়ে থাকেন তাহলে তার জন্য বেশি বেশি ইসালে সওয়াব করে তার থেকে ক্ষমা পাওয়ার ব্যবস্থা করে নিতে পারেন৷ যেহেতু মুত্যুর পর তার থেকে সরাসরি ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ নেই তাই তার আমল নাà