শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হাফেজে কুরআনদের উৎসাহিত করতে মালদ্বীপ সরকারের নানা উদ্যোগ ১৫ আগস্ট কেন্দ্র করে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগামীকালের জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জুলাই শহীদদের স্মরণে রংপুরে শায়খে চরমোনাইয়ের দোয়া ও ইসলাহি ইজতেমা

জঙ্গিদের হিসেব মেলে না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

chintafaআওয়ার ইসলাম: বিশ্বের সবখানে ধর্মভিত্তিক সন্ত্রাসীহামলাগুলোর একটা মজার ব্যাপার কি জানেন? হামলা পরবর্তী ঘটনা। আমেরিকায় ৯/১১ এ দুইটা বিল্ডিং ধ্বসিয়ে ৪/৫ হাজার লোক মারা গেল, আর এই ঘটনার উপর ভিত্তি করে আমেরিকা পরবর্তীতে লাখ লাখ মুসলমান হত্যা করেছে, নির্বিচারে, কিন্তু কারো কোন ভ্রুক্ষেপ হয়নি। জঙ্গিইতো মরছে, সমস্যা নাই। সারা বিশ্বে মুসলমানদের জীবন কঠিন করে ফেলা হল।

বাংলাদেশে গুলশান হামলা হলো, এখন কিছু সময় অন্তর অন্তর জঙ্গি নিধন ঘটনা ঘটছে। গুলশানের ঘটনার আগে আইসিস এর অস্তিত্ব আছে এমনটাই যেখানে অজানা ছিল, সেই সরকারী বাহিনীদের মৃত ব্রেইনকোষগুলো হঠাত চাচা চৌধুরীর মগজের মত হয়ে গেছে, কম্পিউটারের চেয়েও প্রখর। তারা খালে বিলে সবখানে জঙ্গি খুজে পাচ্ছে, আর যেখানেই পাওয়া যাচ্ছে, ভবলীলা সেখানেই সাঙ্গ। তারা আসলেই কি ছিল, তাদের পিছনে কারা আছে সে প্রশ্ন করার কোন সুযোগ নাই। সেইসাথে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ব্যাপারে মিডিয়া ও সরকারী বার্তার মাধ্যমে একধরনের সন্দেহ সৃষ্টি করা হয়ে গেছে।

তো গুলশানে একটা হামলার ফলে জঙ্গিরা নিজেদের এতগুলো সাঙ্গপাঙ্গ হারালো, শুধু তাই নয় যে ধর্মের জন্য করা, সেই ধর্ম পালনেই সবচেয়ে বাধা সৃষ্টি করল, যার ফলে মূলত একটা ইসলামবিদ্বেষী দলই সবচেয়ে লাভবান হল। তাহলে জঙ্গিদের আসলে কারা লেলিয়ে দিচ্ছে, হিসাব মেলে না কেনো।

এফএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ