দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু প্রাথমিক স্তরের কোমলমতি শিশুদের জন্য সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ এবং এ-খাতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা ধর্মীয় অনুভূতি ও পারিবারিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর তিনটায় রাজধানীর পল্টনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। আয়োজিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, সাআদ বিন জাকির। বৈঠক পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইনামুল হাসান নাইম।
বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘শিক্ষা একটি জাতির মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও মানবিক চরিত্র গঠনের প্রধান মাধ্যম। তাই শিক্ষানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দেশের জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।’
বৈঠকে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ তাদের পূর্বনির্ধারিত বিভাগীয় কার্যক্রমের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। আলোচনা শেষে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত করতে সাংগঠনিক, প্রচার, সমাজসেবা ও ভার্সিটি বিষয়ক বিভাগের কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের আয়োজিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক, হোসাইন বিন আব্দুল কুব্দুস; প্রচার সম্পাদক, আহমাদ আল গাজি; দফতর সম্পাদক, জুবায়ের হোসেন; প্রশিক্ষণ সম্পাদক, শামছুল আরেফিন; পাঠাগার সম্পাদক, আমিন হুসাইন প্রমুখ।
জেডএম/আইও