সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেতন ছাড়ের দাবিতে আমরণ অনশনে ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা আল্লামা গহরপুরীকে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা সড়ক প্রশস্তকরণে ভারতে মসজিদ ভাঙন, ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা ‘যুবশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কাজ করছে ১১০ প্রতিষ্ঠান’  কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২, আহত ৬ হজের সফর শেষে স্বাস্থ্য সচেতনতায় করণীয় এক দিনে হাম ও উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যপ্রাচ্যসহ ইইউভুক্ত দেশগুলোতে খাদ্যপণ্য রফতানি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী যারা হিন্দু-মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করছে, তারা চরমভাবে ব্যর্থ হবে: ইন্দ্রেশ কুমার ২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ

আল্লামা গহরপুরীকে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড-বেফাকের সাবেক চেয়ারম্যান ও দেশের বরেণ্য বুজুর্গ আলেম আল্লামা নূরউদ্দীন আহমদ গহরপুরী (রহ.) সম্পর্কে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালেক কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন এমন অভিযোগ এনে এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বিকেএম)।

সোমবার (৮ জুন) দলের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এক বিবৃতিতে বলেন, সিলেট তথা সমগ্র বাংলাদেশের গর্ব, বরেণ্য বুজুর্গ ও শাইখুল হাদিস আল্লামা নূরউদ্দীন আহমদ গহরপুরী (রহ.) এবং তাঁর স্মৃতিবিজড়িত গহরপুর অঞ্চল সম্পর্কে এম এ মালেকের ঔদ্ধত্যপূর্ণ, অশালীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মহাসচিব বলেন, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির মুখে এ ধরনের মন্তব্য জাতি প্রত্যাশা করে না। আল্লামা গহরপুরী (রহ.) দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। তাঁর সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য এবং গহরপুর অঞ্চলের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বক্তব্য লাখো মানুষের হৃদয়কে আহত করেছে।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ অভিযোগ করেন, এ বক্তব্যের পেছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও সংকীর্ণ মানসিকতা কাজ করছে বলে জনমনে ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত নির্বাচনে আল্লামা গহরপুরী (রহ.)-এর ছেলে এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু এম এ মালেকের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে একজন মরহুম আলেম ও তাঁর স্মৃতিবিজড়িত জনপদকে নিয়ে কটাক্ষ করা কোনো সভ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, যিনি একসময় নিজেকে নির্যাতনের শিকার হিসেবে দাবি করেছেন, আজ তিনিই ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছেন। এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিপন্থী।

বিবৃতিতে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দলীয় জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্যের বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা গ্রহণ করা প্রয়োজন। ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও জনগণের আবেগ-অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বক্তব্য থেকে দলীয় নেতাদের বিরত রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অবিলম্বে এম এ মালেককে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনসম্মুখে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানান।

আইও


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ