মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালনে রেকর্ড, পরিসংখ্যান জানালো সৌদি আরব সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসড়কে চলা অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: সংসদে মন্ত্রী মধ্যরাতের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস সৌদি থেকে ফিরিয়ে আনা ওমরাহযাত্রীর মৃত্যু, ধর্মমন্ত্রীর শোক ‘২০ জুন থেকে ‘ঢাকা–নারিতা–ঢাকা’ রুটে বিমানের টিকিট বিক্রি শুরু হবে’ 

নতুন বাংলাদেশ হবে সাম্য, ন্যায় ও ইনসাফের: মিয়া গোলাম পরওয়ার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, “নতুন বাংলাদেশ হবে সাম্য, ন্যায় ও ইনসাফের। সেখানে আর সুদ, ঘুষ, দুর্নীতি, গুম ও খুন-খারাবি থাকবে না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সবাই রাষ্ট্রের সমান অধিকার ভোগ করবে।”

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী খুলনা-৫ আসনের ডুমুরিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নে গণসংযোগকালে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “সময় এসেছে আলেম-উলামাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ থেকে জুলুম ও নির্যাতনের অবসান ঘটানোর। আগামী নির্বাচনে আলেম-উলামা ও দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিতে হবে। এর মাধ্যমে তাঁবেদারি ও আধিপত্যবাদী শক্তির অবসান ঘটিয়ে ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “ইসলামী ও দেশপ্রেমিক সমমনা দলের সমন্বয়ে একটি নতুন ঐক্যের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।”

দুপুরে খলশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এবং বিকেলে ডুমুরিয়া মজিদিয়া সিনিয়র মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত ভোটার সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সদর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আব্দুল গণি খান।

এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, খুলনা জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ ফকির। এছাড়া স্থানীয় জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হিন্দু কমিটি ও ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথি অভিযোগ করেন, বিগত সরকার আলেম-উলামাদের ওপর অকথ্য জুলুম-নির্যাতন চালিয়েছে। আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা জোনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানীসহ হাজারো আলেম-উলামাকে বিনা অপরাধে বছরের পর বছর জেলে রাখা হয়েছে এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “জনগণ মনে করে সরকার চিকিৎসার নামে পরিকল্পিতভাবে আল্লামা সাঈদীকে হত্যা করেছে। এর মূল কারণ ছিল তাঁবেদারি সরকার ব্যবস্থা ও ভারতের আধিপত্যের বিরুদ্ধে আলেম-উলামাদের প্রতিবাদ।”

গণসংযোগ শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ার ডুমুরিয়ার খলশী ক্যাডেট স্ক্রীম মাদরাসা, লিল্লাহ বোর্ডিং ও এতিমখানা পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার মুহতামিম মুফতি মাওলানা সাইফুল্লাহ, নায়েবে মুহতামিম মুফতি আজিজুর রহমান, হাফেজ মাওলানা আশিকুর রহমান, মুফতি ইমরান হোসাইন, মুফতি আবু জর, হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসানসহ স্থানীয় আলেম-উলামা।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ