সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
এক বছর পর খুলে দেওয়া হলো খিলগাঁও কবরস্থান মসজিদ পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিন: খেলাফত মজলিস পবিত্র কাবার ভেতরে নামাজ আদায় করলেন নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে স্বাগত, আমাদের শায়খুল ইসলাম! মুফতি গোলাম মাওলা রহ.-এর স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকচাপায় দুই বৃদ্ধ নিহত ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘আগামী গ্রীষ্মের মধ্যে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য’ ফাজিল-কামিল মাদরাসার গভর্নিং বডি বাতিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত নবীজি (সা.) প্রতি মাসে কয়টি নফল রোজা রাখতেন?

বাংলাদেশে স্বাগত, আমাদের শায়খুল ইসলাম!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

|| মুফতি রেজাউল কারীম আবরার ||

কত স্বপ্ন ছিল! শায়খুল ইসলাম তাকী উসমানী হাফি.-কে একনজর দেখব! তার হাতে চুমু খাব! তার মজলিসে বসব! তার নসিহত শুনব!

গত বছর হজে গিয়ে শুনলাম, শায়খ মক্কায় আছেন। তার সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করলাম। কিন্তু তাকদিরে ছিল না, দেখা করতে পারিনি।

বাংলাদেশের লাখো তালিবুল ইলমের সেই স্বপ্ন অবশেষে পূর্ণ হতে যাচ্ছে। আগামী ২২ তারিখ ভোরে বাংলাদেশে আসছেন শায়খুল ইসলাম তাকী উসমানী! আমরা তাকে দেখব, তার নসিহত শুনব, তার সান্নিধ্যে উপকৃত হব, ইনশাআল্লাহ।

 তখনো তিনি শায়খুল ইসলাম হননি। দারুল উলূম করাচিতে একবার আগমন করলেন বিশ্ববরেণ্য হাদিসবিশারদ শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ.। শায়খুল ইসলাম তাকী উসমানী দা. বা. তার শানে আরবিতে একটি প্রশংসাপত্র পাঠ করলেন। তা শুনে মুগ্ধ হয়ে শায়খ রহ. বলেছিলেন—

"لو كنت تفاحة لأكلتك"

অর্থাৎ, ‘তুমি যদি একটি আপেল হতে, তাহলে আমি তোমাকে খেয়ে ফেলতাম!’

শায়খ রহ. তাকে এতটাই ভালোবাসতেন যে, সারাজীবন ‘তুফফাহাতু পাকিস্তান’ (পাকিস্তানের আপেল) বলে সম্বোধন করতেন।

তাকী উসমানী দা. বা. কে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তার ইলম থেকে পুরো মুসলিম উম্মাহ উপকৃত হচ্ছে এবং যুগ যুগ ধরে উপকৃত হবে, ইনশাআল্লাহ। প্রাচ্য-পাশ্চাত্য সর্বত্রই তিনি সমানভাবে সমাদৃত। ভারসাম্যপূর্ণ লেখনীতে সমসাময়িক সময়ে তার বিকল্প খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। জ্ঞানের প্রায় প্রতিটি শাখায় রয়েছে তার সরব বিচরণ। বিশেষত আধুনিক ফিকহের জগতে বর্তমান বিশ্বে তিনি অদ্বিতীয়।

এ বয়সে এসে কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, সমসাময়িক কোন আলেমের বই সবচেয়ে বেশি পড়েছেন? চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারব: শায়খুল ইসলাম তাকী উসমানী দা. বা. এর বই।

ছোটবেলায় ‘মেরে ওয়ালিদ মেরে শায়খ’ দিয়ে তার বই পড়া শুরু হয়েছিল। আমৃত্যু তার ইলম ও রচনা থেকে উপকৃত হওয়ার এই ধারা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ তাআলা শায়খুল ইসলামকে নেক হায়াত দান করুন। তাঁর আগমনকে নিরাপদ ও বরকতময় করুন।

লেখক: মহাসচিব, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ

এসএইচ/ 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ