শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ ।। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ৬ জিলহজ ১৪৪৭


বালিকা মাদরাসায় অপরাধপ্রবণতা ও কয়েকটি প্রস্তাব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: আওয়ার ইসলাম

|| মুফতি জিয়াউর রহমান ||

নৈতিকতাহীন অনিরাপদ এই শিক্ষাব্যবস্থায় অতিষ্ঠ হয়ে যখন মুসলিম অভিভাবকদের আগ্রহ ও আস্থার জায়গা হয়ে উঠছিল মহিলা মাদরাসাগুলো, সেই সময় একের পর এক লোমহর্ষক অপরাধ মেয়েদের দীন শেখার প্রতিষ্ঠানগুলোকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে।

আরও আশঙ্কা ও আক্ষেপের বিষয় হচ্ছে দায়িত্বশীল মুরব্বিদের নির্লিপ্ততা ও নীরবতা। হয়ত তাদের জায়গা থেকে তারা কাজ করছেন, কিন্তু এগুলো যথেষ্ট নয়। মহিলা মাদরাসা নিয়ে পুরাই সংস্কারমূলক সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে৷ যেমন-

এক. পরিচালকরা আখলাকি যোগ্যতায় উত্তীর্ণ কী না, তদন্ত করতে হবে৷ উপযুক্ত হলে পদে থাকবেন, নতুবা চলে যাবেন। স্বৈরাচারী কায়দায় পদ দখল করে বসে থাকতে পারবেন না।

দুই. মাদরাসার পরিচালনা বিধিসম্মত হচ্ছে কী না, আবাসন ব্যবস্থাপনা নীতিমালা তৈরি করে সেই আলোকে আবাসন ব্যবস্থাপনা ঠিক আছে কী না, তদারকি করতে হবে৷

তিন. অপরাধ প্রমাণিত হলে ধামাচাপা না দিয়ে অভিযুক্তকে সরাসরি আইনের হাতে তুলে দিতে হবে৷

চার. প্রত্যেক বালিকা মাদরাসায় গোপন অভিযোগ বক্স থাকবে, যার চাবি ও খোলার অথরিটি বোর্ড কর্তৃপক্ষের হাতে থাকবে। 

পাঁচ. অর্ধেক বা তারচেয়েও বেশি জনগোষ্ঠীর দ্বীন শেখার জন্য বালিকা মাদরাসার প্রয়োজন রয়েছে৷ তবে বোর্ড কর্তৃক শর্তাবলি পূরণ করে বালিকা মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করতে হবে৷

দায়িত্বশীল মুরব্বিরা যত দ্রুত বিষয়টি নিয়ে ভাববেন, বসবেন, সংস্কারমূলক উদ্যোগ নেবেন, ততই কল্যাণ। নতুবা অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে।

লেখক: চেয়ারম্যান, সিয়ানাহ ট্রাস্ট, সিলেট

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ