বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র কুরআন খতম, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী। স্বাগত বক্তব্য দেন সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন যাকাত বিভাগের পরিচালক ড. হাফেজ মাওলানা ওয়ালীয়ুর রহমান খান।

পবিত্র কুরআন খতম শেষে সকাল সাড়ে ১০টায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত আরোগ্য, তাদের পরিবারের কল্যাণ এবং দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

মোনাজাতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি তাদের রূহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

তিনি বলেন, দেশ ও জাতির সংকটকালে আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষের মধ্যে নৈতিকতা, মানবিকতা, সহমর্মিতা এবং সম্প্রীতির চেতনা জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ইসলাম শান্তি, ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও কল্যাণের শিক্ষা দেয়। তাই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির ভিত্তিতে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, উপপরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইমাম-মুয়াজ্জিন, আলেম-ওলামা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের সুস্থতা এবং দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ