আসন্ন বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে আগামীকাল বুধবার(১১ মার্চ) সেনাবাহিনীসহ সকল বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন(ইসি)। ইতোমধ্যে সকল বাহিনীর প্রধানদের এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গবার (১০ মার্চ) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ নির্বাচনি এলাকার শূন্য আসনের নির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা আগামীকাল বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর দেড় টায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষ অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব.) এছাড়া সভায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব উপস্থিত থাকবেন। সভায় উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশক্রমে সবিনয়ে অনুরোধ করা হলো।
যাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান, বিমান বাহিনী প্রধান, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, মহাপুলিশ পরিদর্শক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ/কোস্টগার্ড/আনসার ওভিডিপি/ডিজিএফআই/এনএসআই/এনটিএমসি-এর মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক [স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)/সিআইডি]।
জানাগেছে, শেরপুর-৩ আসনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র থেকে মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। ইতোমধ্যে বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করে ইসি। পরবর্তীতে নতুন তফসিল দিয়ে নির্বাচন করছে সংস্থাটি।
অন্যদিকে বগুড়া-৬ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এখানেও রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। এখন তারা চাইলে আপিল করতে পারবেন।
এই আসনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন করে জয়ী হন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দু’টো আসনের সদস্য থাকার আইন না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। পরবর্তী আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল দেয় কমিশন।
তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১১ মার্চ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। প্রতীক বরাদ্দ ১৫ই মার্চ এবং ভোট গ্রহণ ৯ এপ্রিল।
আইএইচ/