বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বাইতুল মোকাররমে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান আল-আজহারের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ বাংলাদেশি আলেম ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৫২ বিচারবহির্ভূত হত্যা-মিথ্যা মামলা বন্ধের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে হতে পারে: চিফ প্রসিকিউটর মদিনার পথে মহান হিজরত জমিয়তের দারুস সালাম থানা শাখার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ১ কোটি ১০ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীকে একবেলা খাবার দেওয়া হবে: ববি হাজ্জাজ জ্বালানি সংকট ও মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ কাল এবারও দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

ভারতের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশি পোশাকসহ বেশ কিছু পণ্য আমদানি বন্ধ করেছে ভারত। শনিবার (১৭ মে) সেই তালিকা দিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা বৈদেশিক বাণিজ্য দফতর (ডিজিএফটি) জানিয়েছে, বন্দর দিয়ে বাংলাদেশি রেডিমেড পোশাক, খাবার ভারতে আমদানি করা যাবে না। তবে ভারত হয়ে নেপাল বা ভুটানের মতো দেশে ওই সব পণ্য যাওয়ার ব্যাপারে কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকছে না।

ডিজিএফটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের কিছু নির্দিষ্ট পণ্য ভারতের স্থলবন্দর দিয়ে আসায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

এরপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ থেকে কোনো তৈরি পোশাক ভারতের কোনো স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। শুধুমাত্র নহভা শেভা এবং কলকাতা সমুদ্র বন্দর দিয়ে বাংলাদেশি তৈরি পোশাক ভারতে আসতে পারবে।

এতে আরও বলা হয়, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরামের কোনও শুল্ক পয়েন্টে— পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের চ্যাংড়াবান্ধা এবং ফুলবাড়ি শুল্ক পয়েন্ট দিয়ে ফল, ফলের স্বাদযুক্ত পানীয়, কার্বনেটেড পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাবার, তুলার বর্জ্য, প্লাস্টিকের পণ্য (পণ্য তৈরির জন্য নির্দিষ্ট উপকরণ ব্যতীত) এবং কাঠের আসবাবপত্র আমদানি করা যাবে না।

তবে স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের মাছ, এলপিজি, ভোজ্যতেল এবং চূর্ণ পাথরের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, গত মাসেই বাংলাদেশ তৃতীয় দেশে পণ্য রপ্তানির জন্য বাংলাদেশকে ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’ সুবিধা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। অর্থাৎ, ভারতের শুল্ককেন্দ্র ব্যবহার করে তৃতীয় কোনো দেশে পণ্য রপ্তানি করতে পারছে না বাংলাদেশ।

সেই সময় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিলো, বাংলাদেশকে ওই সুবিধা দেয়ার ফলে ভারতীয় রপ্তানিনিকারক সংস্থাগুলোর সমস্যা হচ্ছে। সেই কারণেই বাংলাদেশকে ওই সুবিধা দেয়া বন্ধ করা হয়েছে। তবে সেই বারও নেপাল এবং ভুটানের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিলো।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ