বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘প্রশান্তিময় কুরআন-২৬’ হিফজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত অন্তত ১৮ ছয় কওমি বোর্ডের সনদে সরকারি-বেসরকারি মাদরাসায় চাকরির সুযোগ কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য বাউবিতে এসএসসি-এইচএসসি প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ জবিতে তিন মাসব্যাপী কুরআন শিক্ষার আসর শুরু ‘বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকার ব্যর্থ’ ‘জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার’  ‘দুর্নীতিবাজ-চাঁদাবাজদের ঠেকাতে ইসিকে কার্যকর কৌশল নিতে হবে’ দাখিল ২০২৭ সালের নির্বাচনী পরীক্ষা ও ফরম পূরণে বোর্ডের নির্দেশনা ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত

সাদপন্থীদের প্রধান মুরব্বিসহ ২৫ জনের জামিন শুনানি জানুয়ারিতে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে তাবলিগ জামাতের সাথীর ওপর সাদপন্থীদের হামলার নিহত ও আহতদের ঘটনায় মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের প্রধান মুরব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামসহ ২৫ জনের জামিন আবেদনের শুনানি আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) হাইকোর্ট এই আবেদনটি ফেরত দিয়ে জানান, অবকাশের পর নিয়মিত বেঞ্চে জামিন বিষয়ে শুনানি করা হবে।

এই দিন হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ মাহবুব-উল ইসলাম ও বিচারপতি ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে জামিন আবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। শুনানির শুরুতে আদালত জানান, অবকাশ শেষে নিয়মিত বেঞ্চে এই জামিন আবেদনের শুনানি হবে। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহিন হাওলাদার জানান, অবকাশের পর নতুন বেঞ্চে আবেদনটি পুনরায় উপস্থাপন করা হবে।

এর আগে, ২৩ ডিসেম্বর হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চে জামিন আবেদন করা হয়েছিল।

এই মামলা ১৭ ডিসেম্বর রাতে টঙ্গী ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষে তিনজন নিহত এবং অন্তত অর্ধশতাধিক মুসল্লি আহত হওয়ার পর দায়ের করা হয়। মামলার বাদী এস এম আলম হোসেন, যিনি মাওলানা জোবায়েরের অনুসারী, ১৯ ডিসেম্বর টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা করেন। মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকশো জনকে আসামি করা হয়।

আসামিদের মধ্যে সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম, তার ছেলে ওসামা ইসলাম আনু, আবদুল্লাহ মনসুর, কাজী এরতেজা হাসান, মোয়াজ বিন নূর, জিয়া বিন কাশেম, আজিমুদ্দিন, আনোয়ার আবদুল্লাহ, শফিউল্লাহ প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। তারা সাদপন্থী তাবলিগ জামাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন।

এ ঘটনায় ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা সাদপন্থীদের ইজতেমা মাঠে প্রবেশ ঠেকাতে বিভিন্ন সড়কে পাহারা বসায়। এরপর ১৭ ডিসেম্বর রাত আড়াইটার দিকে সাদপন্থীরা মাঠে প্রবেশ করলে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়, যাতে তিনজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হন।

এ ঘটনায় পরবর্তীতে ২০ ডিসেম্বর রাতে মোয়াজ বিন নূরকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সাদপন্থীদের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত। ২২ ডিসেম্বর গাজীপুরের আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেয়।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ