সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী ‘আদালতের রায়ের প্রতিবাদে হরতাল-ধর্মঘট নিষিদ্ধ জুলাই চেতনার পরিপন্থী’ ব্রিটিশ বাংলাদেশি মুসলিমদের প্রশংসা দ্য ইকোনমিস্টের ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১ হাজর ৭৩৩ ‘জনগণের অর্থে নির্মিত রাস্তা কেটে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না’  ‘মুমিনের অন্তরে নবীজির জীবনাদর্শের চেতনা সবসময় জাগ্রত রাখতে হবে’ দাওরায়ে হাদিস নিবন্ধনে বয়স পরিবর্তনের সুযোগ থাকছে না ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা, ভোট হবে সাত ধাপে ‘আইন প্রণয়ন ও সংশোধনে ইসলামি মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিতে হবে’ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারসাজিতে সরকারের অসহায়ত্ব দৃশ্যমান: ইসলামী আন্দোলন

দেয়াল টপকে পালানোর বিষয়ে যা বললেন হারুন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ

গণঅভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে ঢাকার অতিরিক্ত কমিশনার (সাবেক ডিবি প্রধান) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদের অবস্থান নিয়ে চলছে ধোঁয়াশা। শোনা যাচ্ছে, তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। কিন্তু বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। তবে সম্প্রতি অজ্ঞাত স্থান থেকে ইউটিউব চ্যানেল নাগরিক টিভিতে নাজমুস সাকিবের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন আলোচিত এই পুলিশ কর্মকর্তা।

সেখানে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান, আন্দোলন দমনে তার ভূমিকাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন। দাবি করেছেন, তাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, তাকে মোয়া বানানো হচ্ছে।

বিতর্কিত এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমাকে ঘিরে নানা ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছিল। তখনো আমি চুপ ছিলাম। সরকার যখন বলল, সবাইকে কাজে যোগ দিতে। তখন আমি গত ৮ আগস্ট ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে তখনই যোগ দিতে নিষেধ করেন। আমাকে নিরাপদ স্থানে থাকতে বলেন। আমি যোগদান করতে গেছি। কিন্তু আমি যোগ দিতে পারিনি। দুই দিন পর দেখি আমার নামে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

'যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, কমিশনার ও আমাকে হুকুমের আসামি করা হয়। তখন আমি অবাক হলাম। আমি তো ডিবিতে কাজ করি। ডিবির কাজ হলো মামলা তদন্ত করা। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নির্দেশ দিলে আমরা গ্রেপ্তার করি। মোহাম্মদপুরে তো আমি গিয়ে মারামারি করিনি, এটা তো আমার কাজ না। অতিরিক্ত কমিশনার কি মারামারি করতে যায়? আর ডিএমপিতে কমিশনারের পরে ছয়জন অতিরিক্ত কমিশনার। আমি হলাম ৬ নম্বর কমিশনার। সেখানে আমার নামে যখন মামলা হলো তখন তো একটু…।'

তিনি বলেন, আবার বলা হলো মামলা হলেও সমস্যা নেই। ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকলে গ্রেপ্তার করা হবে না। আমি মনে করলাম ভালো কথা। ভাবলাম জয়েন করব। পরের দিন দেখলাম একজন উপদেষ্টা বললেন, যেসব পুলিশ কর্মকর্তা জয়েন করেননি আপনারা তাদের ধরে নিয়ে আসেন।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ