মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানা উসমান ফয়েজীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’ মাওলানা মাসুদ আজহারের খোঁজে ৭০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা মাওলানা উসমান ফয়েজীর ইন্তেকালে হেফাজতের শোক বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিয়ে হেবা আইন পাস করতে হবে: জমিয়ত ‘দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সংকট ও দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার’ বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময়ক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না: গাজী আতাউর রহমান ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের 'সীরাতুন্নবী (সা.) ফেস্টিভ্যাল ২০২৬' ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

বাঙালির সব অর্জনই এসেছে ত্যাগের মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথা নত না করার। বারবার আঘাত আসার পরও এ জাতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বাঙালি জাতির সব অর্জনেই এসেছে ত্যাগের মাধ্যমে।’

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক-২০২৪ সম্মাননা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ মাথা উঁচু করে চলবে, কারণ একুশ আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করা যায়। কারও কাছে হাত পেতে নয়, আত্মমর্যাদা নিয়ে চলতে হবে। নিজের মাতৃভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সবকিছুকেই রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। সারা পৃথিবী আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস পালন করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হারিয়ে যাওয়া মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য আমরা একটি ইনস্টিটিউট করে দিয়েছি। আজকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কয়েকজনকে আমরা একুশে পদক দিতে পেরে আনন্দিত ও গর্বিত।

এসময় দেশ ও মানুষের জন্য যারা নিবেদিত হয়ে কাজ করছে সেসব ত্যাগী মানুষদের খুঁজে বের করার জন্য সকলের প্রতি আহবানও জানান প্রধানমন্ত্রী।

পদকপ্রাপ্ত জিয়াউল হকের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, দরিদ্র একজন মানুষ সমাজকে নিয়ে ভেবেছেন, কাজ করেছেন, দই বিক্রি করে পাঠাগার করেছেন। তিনি আমাকে বলেছেন- ওই পাঠাগারের স্থায়ী জমি দরকার। তার করে দেওয়া স্কুলটিও সরকারি করার জন্য বলেছেন। আমি খোঁজখবর নেব। তাদের জন্য কাজ করবো, জাতির পিতার কন্যা হিসেবে বলছি।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের সংগ্রাম গড়ে তুলেছিলেন, তার পথ বেয়ে আসছে আমাদের স্বাধিকার। দুঃখের বিষয় ভাষা আন্দোলনে জাতির পিতার অবদান মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। আমরা সে সময়কার গোয়েন্দাদের প্রতিবেদন নিয়ে বই বের করেছি। সেসব গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান উঠে এসেছে। অনেকে বলেন তিনি তো জেলে ছিলেন। আসলে তিনি জেলে ছিলেন কেন? আন্দোলন গড়ে তুলেছেন বলেই তিনি জেলে ছিলেন।

এ সময় একুশের চেতনা ও আদর্শকে লালন করে বাঙালিকে আত্মমর্যাদা সমুন্নত রেখেই বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করেই চলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ