বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার চায় জমিয়ত

ফেসবুকে মাওলানা আবু তাহের মিসবাহর অসুস্থতার খবর, যা বলছে পরিবার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

|| হাবিব মুহাম্মাদ ||

আজ হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গবেষক ও শিক্ষাবিদ আলেমেদ্বীন, মাদানী নেসাবের প্রবর্তক মাওলানা আবু তাহের মিসবাহর প্রচণ্ড অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ে। বলা হয় তিনি আজ হঠাৎ করে অনেক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সেজন্য পোস্টগুলোতে দোয়াও চাওয়া হয়।

তার অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আওয়ার ইসলামের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় মাওলানা আবু তাহের মিসবাহর বড় জামাতা মাওলানা হাবিবুর রহমান মুনির নদভীর সঙ্গে। 

তিনি আওয়ার ইসলামকে জানান, হুজুরের হার্টে রিং বসানোর পর থেকে মাঝে মাঝেই অসুস্থতাবোধ করেন। কঠোর পরিশ্রমী হওয়ার কারণে সুস্বাস্থ্যের নীতিমালা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। ফলে প্রায়ই ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এছাড়া মাঝে মাঝে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা দেখা দেয়। তবে সম্প্রতি তার বড় ধরনের তেমন কোনো অসুস্থতা দেখা দেয়নি। তিনি অন্যান্য সময়ের মতোই স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছেন। 

প্রসঙ্গত, আদিব হুজুর খ্যাত মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ একজন নিভৃতচারী আলেম। একাধারে তিনি শিক্ষক, লেখক, গবেষক, সাহিত্যিক। মাদানি নেসাবের (একটি স্বতন্ত্র শিক্ষা কারুকুলাম) প্রবর্তকও তিনি। বর্তমান ওলামা ও তলাবাদের অনেকের কাছে তিনি কিংবদন্তি। সাহিত্য ও গবেষণাধর্মী অসংখ্য বই তিনি রচনা করেছেন।

মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ ১৯৫৬ সালের ৬ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মিছবাহুল হক। পৈতৃক বাড়ি কুমিল্লায় হলেও তিনি বড় হন ঢাকায়। জামিয়া কুরআনিয়া আরাবিয়া লালবাগ, জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়ায় পড়ার পর ১৯৭৭ সালে তিনি আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া থেকে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) সমাপ্ত করেন। জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়ায় শিক্ষক হিসেবে তার কর্মজীবনের সূচনা হয়। পরবর্তীতে তিনি জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়ায় প্রায় ২৫ বছর শিক্ষকতা করেন। তখন থেকে তিনি মাদানি নেসাবের জন্য পরীক্ষামূলক পাঠ্যবই রচনা শুরু করেন। ১৯৯২ সালে তার চিন্তাধারার আলোকে আবদুল হাই পাহাড়পুরীর তত্ত্বাবধানে তিনি মাদরাসাতুল মদিনা প্রতিষ্ঠা করেন।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ