সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত এমপি ভবনে গাজী নজরুলের সেই স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার  মাদক নির্মূলে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সৌজন্য সাক্ষাৎ  নাজাত ইসলামী মারকাজের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিক-গুণীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবি খেলাফত মজলিসের কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সমালোচনার মুখে ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শরিয়াহ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমন্বয়ে গুরুত্বারোপ মিসরের গ্র্যান্ড মুফতির ‘এই ভূখণ্ডকে আমরা আর কবে বাসযোগ্য করে তুলতে পারব!’

এই যুদ্ধ বন্ধ করুন: বিশ্বনেতাদের প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত ছবি

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, যুদ্ধ ও অস্ত্র মানুষের মঙ্গল বয়ে আনে না।

আজ বুধবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‌শেখ রাসেল পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা যুদ্ধের সময় কী অবস্থা হতে পারে, সেটা তো আমরা আমাদের জীবন দিয়েই দেখেছি। আমি দেখেছি, লাশ পড়ে আছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায়। এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি আমাদের আশ্রয় নিতে হতো। আজকে সারা বিশ্বে যে যুদ্ধ চলছে, কিছুদিন আগে দেখলাম ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। এখন আবার ফিলিস্তিনের ওপর ইসরায়েলের আক্রামণ। ইসরায়েলেও শিশু মারা গেছে, ফিলিস্তিনেও মানুষ মারা গেছে। গতকাল দেখলাম হাসপাতালেও বোমা বিস্ফোরণ করে মানুষ মেরেছে, শিশু মেরেছে। রক্তাক্ত সেই শিশুদের চেহারা। আমি বিশ্ব নেতাদের বলব, যুদ্ধ বন্ধ করুন, অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন। যুদ্ধ ও অস্ত্র মানুষের মঙ্গল বয়ে আনে না।

শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধে সবচেয়ে কষ্ট পায় শিশু আর নারীরা। সন্তান হারা পিতা-মাতা, পিতা-মাতা হারা সন্তান। তাদের যে কী বেদনা, সেটা আমরা জানি। এ জন্য আমরা যুদ্ধ চাই না। যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানাই। বরং এসব অস্ত্র বানানো এবং অস্ত্র প্রযোগীতায় যে অর্থ ব্যয় হয়, সেই অর্থ সারা বিশ্বের শিশুদের খাদ্য, স্বাস্থ্য এবং তাদের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হোক সেটাই আমাদের দাবি। আমরা শান্তি চাই, কারণ শান্তি উন্নতি দেয়। আর যুদ্ধ ধ্বংস সৃষ্টি করে। কাজেই আমরা ধ্বংস চাই না, উন্নতি ও শান্তি চাই। এ জন্য আমরা শান্তির পক্ষেই সবসময় কাজ করি।

সরকারপ্রধান বলেন, আজকের শিশুরাই স্মার্ট বাংলাদেশ চালাবে। আমি সেইভাবেই তাদের গড়ে তুলতে চাই।

৭১ সালের বন্দিজীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা যখন বন্দি ছিলাম, একবার চেষ্টা করেছে ভেতরে এসে আমাদের ওপর হামলা করতে। একটা ছোট্ট তার আমাদের বাঁচিয়ে দেয়। একটা কাপড় ঝোলানো তারের সঙ্গে লেগে সে অফিসার পড়ে যায়, পরে সে ফিরে যায়। পরে কর্নেল অশোক আসে। সেদিনটি ছিল ১৮ তারিখ।

টিএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ