পরদিন সকালবেলা। নু‘মান যথারীতি দোকানে এল। কিন্তু আজ তাঁর ভেতরটা যেন অন্যরকম। ক্রেতা আসছে, কাপড় দেখছে, দাম জিজ্ঞেস করছে—সবকিছু আগের মতোই চলছে। আর নু‘মানের মন, সেটা বারবার চলে যাচ্ছে অন্য কোথাও। শা‘বি (রহ.)-এর কথাগুলো তার কানে বাজছে—“ইলমের দরজাটা বন্ধ করে রেখো না।”
একজন ক্রেতা কাপড় হাতে নিয়ে বললেন, এই কাপড়ের দাম কত? নু‘মান দাম বলল। ক্রেতা চলে গেল। কিছুক্ষণ পর আরেকজন এল। এভাবে সময় অতিবাহিত হচ্ছে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে নু‘মান নিজের জীবন নিয়েও ভাবছিল। ব্যবসা তাঁর ভালো লাগে। এতে মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়, জীবিকা হয়, পরিবারের দায়িত্ব পালন করা যায়। কিন্তু সে বুঝতে পারছিল—জীবন শুধু উপার্জনের নাম নয়।
মানুষ কেন সৃষ্টি হয়েছে? আল্লাহর ইবাদত কীভাবে করতে হবে? লেনদেনে কোনটি বৈধ, কোনটি অবৈধ? মানুষের অধিকার কী? পারিবারিক জীবনের বিধান কী? এসব জানার জন্য তো ইলম প্রয়োজন।
সন্ধ্যা নেমে এল। দোকান বন্ধ করার সময় নু'মান সিদ্ধান্ত নিল—নিয়মিত সে ইলমের মজলিসে বসবে। তবে ব্যবসা ছেড়ে নয়