শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ।। ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন সরোয়ার আলমগীর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আইআরজিসির ৩ সদস্য নিহত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য শুরু হচ্ছে প্রমিত উচ্চারণ ও উপস্থাপনা শেখার কোর্স হাইআতুল উলয়ার সঙ্গে একাত্মতা হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের কথার ফুলঝুরি নয়, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই জামিয়া ফরিদাবাদের ৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ‘জাতি বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়’ যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সফল করতে সিলেটে মতবিনিময় ঢাকায় ‘ইমামুল হিন্দ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলবী (রহ.) কনফারেন্স’ ১৮ জুলাই মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নাগরিক সমাবেশ শুক্রবার

কোরবানির দিন করণীয়-বর্জনীয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাজমুল হাসান।

পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এই দিনে মুসলমানরা কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। তবে এ ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনের সময় করণীয় ও বর্জনীয় কিছু বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি না দিলে তা ধর্মীয় শিষ্টাচার, স্বাস্থ্য ও সামাজিক পরিবেশের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

ইসলামী বিধান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মত অনুযায়ী কোরবানির দিনে যেসব বিষয় মেনে চলা উচিত, তা তুলে ধরা হলো—

করণীয় বিষয়সমূহ:

ঈদের নামাজের আগে কিছু না খাওয়া:
ঈদুল আজহার morning-এ কোরবানির আগে কিছু না খাওয়াকে সুন্নাহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইসলামি বিশেষজ্ঞরা।

সুন্নাহ মোতাবেক কোরবানি সম্পন্ন করা:
পশুকে কিবলামুখী করে জবাই, বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার বলা, ধারালো ছুরি ব্যবহার এবং পশুর প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া ইসলামী নিয়ম।

মাংস সুষ্ঠুভাবে বণ্টন:
নিজেদের জন্য একাংশ রেখে, আত্মীয়স্বজন ও গরিবদের মধ্যে বণ্টন করা সুন্নত ও সামাজিক দায়িত্ব।

পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা:
কোরবানির স্থান পরিষ্কার রাখা এবং রক্ত ও বর্জ্য স্বাস্থ্যসম্মতভাবে অপসারণ করা নাগরিক দায়িত্ব।

তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা:
৯ জিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসরের নামাজ পর্যন্ত তাকবির বলা ওয়াজিব।

বর্জনীয় বিষয়সমূহ:

পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা:
জবাইয়ের আগে বা পরে পশুকে অহেতুক কষ্ট দেওয়া নিষিদ্ধ এবং অমানবিক।

অপচয় ও দেখনদারিত্ব:
কোরবানির নামে লোক দেখানো ও খাদ্য অপচয় ইসলাম বিরোধী।

অদক্ষ কসাই নিয়োগ:
অভিজ্ঞতা না থাকা ব্যক্তি দিয়ে পশু জবাই করালে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

শিশুদের পাশে রাখা:
জবাই বা কাটাকাটি চলাকালে শিশুদের পাশে রাখা বিপজ্জনক ও ঝুঁিপপূর্ণ।

বর্জ্য অপসারণে অবহেলা:
কোরবানির বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে দিলে নগরীর পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হতে পারে।

সচেতনতার আহ্বান

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা বলছেন—“ঈদের আনন্দ ধরে রাখতে হলে ধর্মীয় নির্দেশনা ও নাগরিক সচেতনতা একসঙ্গে অনুসরণ করতে হবে।”
তারা আরও বলেন, “সামান্য অসতর্কতা বা অব্যবস্থাপনা বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি বা পরিবেশ বিপর্যয় ঘটাতে পারে।”

সুতরাং ধর্মীয় ত্যাগ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ একত্রে পালন করেই হোক এবারের কোরবানি।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ