শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা বাস্তবায়নে পাশে থাকবে সরকার: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী  ইলমের পথে জ্ঞানার্জনের সিদ্ধান্ত  অকৃতকার্য বিষয়ে ফের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থী মিরপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার নিম্নমুখী, ফেল বেড়েছে ৮৫ হাজার ‘শিক্ষাব্যবস্থায় বিতর্কিত মতাদর্শ নয়, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের সুরক্ষা চাই’ বরুণা থেকে সোহরাওয়ার্দী: মাকবুলিয়াতের এক অনন্য নজির আলিমে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২৫০ শিক্ষার্থী দিল্লির ১৫০ বছরের পুরনো মসজিদে নামাজ পড়তে পারবেন না মুসল্লিরা শাপলার গণহত্যা থেকেই জুলাইয়ের ভিত্তি রচিত: আমিরে মজলিস

আজান শোনামাত্র তেলাওয়াত বন্ধ করে জবাব দেওয়া জরুরি কি?


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

মুফতি যুবাইর মাহমুদ রাহমানি

ধরুন, আপনি কুরআনে পাক তেলাওয়াত করছেন; এমন সময় মুয়াজ্জিন সাহেব আজান দেওয়া আরম্ভ করলেন। এ সময় কি আপনার জন্য তেলাওয়াত বন্ধ করে মৌখিকভাবে আজানের জবাব দেওয়া জরুরি?

এর উত্তর হচ্ছে, না । এ সময় তেলাওয়াত বন্ধ করে মৌখিকভাবে আজানের জবাব দেওয়া জরুরি নয়।

এ প্রসঙ্গে দারুল উলুম দেওবন্দের সাবেক শাইখুল হাদিস ও সদরুল মুদাররিসীন আল্লামা মুফতি সাইদ আহমাদ পালনপুরি রহিমাহুল্লাহ লিখেন,
যদি কোন ব্যক্তি পূর্ব থেকে কোন দীনি কাজে মশগুল থাকে, তবে আজানের জবাব দেওয়ার জন্য উক্ত দীনি কাজ বন্ধ করা জরুরি নয়। যেমন কেউ তেলাওয়াত করছে অথবা সবক পাঠদান করা হচ্ছে; এমন সময় আজান শুরু হয়ে যায়। তখন আজানের জবাব দেওয়ার জন্য তেলাওয়াত এবং সবক মওকুফ করা জরুরি নয়।

কেননা, আজানের জবাব দেওয়া দীনি কাজ। অপরদিকে তেলাওয়াত ও সবকও দীনি কাজ। আর এক দীনি কাজের জন্য অন্য দীনি কাজ বন্ধ করা জরুরি নয়। এমনিভাবে ফজরের সুন্নাতও দীনি কাজ। এবং আজানের জবাব দেওয়াও দীনি কাজ। নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজানের জবাব না দিয়ে ফজরের সুন্নাত পড়ায় মশগুল থাকতেন। হাঁ, যদি দুনিয়াবি আলাপচারিতায় মগ্ন থেকে থাকে, তখন তা বন্ধ করে আজানের জবাব দেওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, আজান চলাকালীন অন্য কোন দীনি কাজ শুরু করা জায়েজ। কারণ, নবি করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজানের আরম্ভ হওয়ার পরই ফজরের সুন্নাত শুরু করতেন।

(তুহফাতুল আলমায়ি ২/৩১৬)

লেখক : মুহাদ্দিস, জামিআ হোসাইনিয়া মদিনাতুল উলুম (ভোলা) ও পরিচালক, রাহমানিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার (চরফ্যাশন,ভোলা)

হুআ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ