শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :

মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে ইরানি তরুণীর মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে ইরানে নাজমিহ আমিন (২৩) নামে এক তরুণীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া পৃথক আরেকটি অভিযোগে তাকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে তার।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইরানবিরোধী সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় নাজমিহকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগসহ দুটি অভিযোগ আনা হয়।

নাজমিহ ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি শহরটির ভাকিলাবাদ কারাগারে বন্দি রয়েছেন। একটি সূত্রের দাবি, গত বছরের ৩১ জানুয়ারি মাশহাদের ফেরদৌসি শপিং সেন্টার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অন্য একটি সূত্রের দাবি, তাকে ৩ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

নাজমিহের পরিবার প্রথমে ধারণা করেছিল, সরকারবিরোধী আন্দোলন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তার বিরুদ্ধে মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগ আনা হয়।

মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের তথ্য অনুযায়ী, খোরাসান রাজাভি প্রদেশের অপরাধ আদালতের ষষ্ঠ শাখায় তার বিচার অনুষ্ঠিত হয়। আদালতে নাজমিহ দাবি করেন, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে মহানবী (সা.)-কে কটূক্তি করেননি। তবে আদালত তার এ দাবি গ্রহণ করেননি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খোরাসানের প্রতিবেদনে বলা হয়, আদালতে নাজমিহ দাবি করেন, বন্ধুদের সঙ্গে এক ধরনের মাদক সেবনের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তিমূলক বক্তব্য লেখেন। তার আইনজীবীদের দাবি, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটি করেননি; বরং ভুলবশত তার মুখ থেকে এ ধরনের কথা বেরিয়ে আসে।

ইরানের আইনে মহানবী (সা.)-কে অবমাননার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। নাজমিহের ক্ষেত্রেও এ অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

এসএইচ/ 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ