সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ।। ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৭ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :

সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা শুরু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

সুইজারল্যান্ডে প্রাথমিক শান্তি চুক্তি নিয়ে সরাসরি আলোচনা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদল। গত সপ্তাহে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত প্রাথমিক সমঝোতার ধারাবাহিকতায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রোববার (২১ জুন) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। এদিন দুই দেশের প্রতিনিধি দিল আলোচনা শুরু করে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত চুক্তিতে ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সব ফ্রন্টে, লেবাননসহ, যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে বাস্তব পরিস্থিতিতে লেবাননে ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত থাকায় আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় ইরান হরমুজ প্রণালী সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা দিলেও নৌযান চলাচল অব্যাহত রয়েছে বলে ট্র্যাকিং ডেটায় দেখা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, আলোচনায় মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও লেবাননের পরিস্থিতির ওপর। অন্যদিকে ইরান বলেছে, তারা চায় অপর পক্ষ চুক্তির শর্তগুলো বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুক।

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অংশ নেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।

ইরানের প্রতিনিধি দলে আছেন, দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে অংশ নেয় পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

পাকিস্তান এর আগে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছে এবং পূর্ববর্তী একাধিক দফার আলোচনাও ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে।

এদিকে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে, যদিও আগের যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার দাবি করা হয়েছে। ইসরায়েল বলছে, হিজবুল্লাহর সঙ্গে তাদের সংঘাত ইরান ইস্যু থেকে পৃথক, এবং দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকায় তাদের সামরিক উপস্থিতি বজায় থাকবে।

আইও


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ