মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
থানা থেকে লুট হওয়া সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত, শোক জানালেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী রোগীর মৃত্যু ঘিরে হাটহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উত্তেজনা, ভাঙচুর সৌদি আরবে হামলা নিয়ে হুথি কর্মকর্তার প্রশংসা মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি দেশে ৮,২২৯টি এমপিওভুক্ত মাদরাসা রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আর ‘যথেষ্ট নয়’: কাতার ১০ মাসে হাফেজা হলেন ১৪ বছরের তানজিলা লংমার্চের দাবির সঙ্গে জামায়াত আমিরের সংসদের বক্তব্য দ্বিমুখিতা: পীর সাহেব চরমোনাই খন্দকের যুদ্ধ—ঐক্য, কৌশল ও আল্লাহর সাহায্য

অস্ট্রিয়া স্কুলে হিজাব নিষিদ্ধ করার আইন পাস করলো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মানবাধিকার সংস্থা এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও অস্ট্রিয়ায় স্কুলছাত্রীদের জন্য হিজাব নিষিদ্ধ করার আইন পাস করা হয়েছে। দেশের পার্লামেন্টে ১৪ বছরের কম বয়সী স্কুলছাত্রীদের জন্য হিজাব নিষিদ্ধকরণের আইনটি পাস হওয়ার ফলে সমাজে বিভাজন আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) প্রকাশিত দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আইন মুসলিম সম্প্রদায়কে আরো প্রান্তিক করে দিতে পারে। চলতি বছরের শুরুতে, দেশের রক্ষণশীল নেতৃত্বাধীন সরকারের উদ্যোগে এই আইন পাস হয়।

বৃহস্পতিবার ভোটের আগে ক্ষমতাসীন জোটের সদস্য লিবারেল নিয়সের সংসদীয় নেতা ইয়ানিক শেটি মন্তব্য করেছেন, এই আইনটি স্বাধীনতা সীমিত করার জন্য নয়, বরং ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য। তার দাবি, হিজাব শুধুমাত্র পোশাক নয়—অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি মেয়েদের পুরুষের দৃষ্টি থেকে আড়াল করে।

দ্য গার্ডিয়ান জানার রিপোর্ট অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞাটি আগামী সেপ্টেম্বরের নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে কার্যকর হবে। আইন ভঙ্গ করলে পরিবারকে শাস্তিস্বরূপ সর্বাধিক ৮০০ ইউরো জরিমানা করা হতে পারে।

বিরোধী গ্রীন পার্টি ভোটে একমাত্র বিরোধিতা করে এবং আইনটিকে সরাসরি সংবিধানবিরোধী উল্লেখ করেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন সংস্থা বলছে, এই আইন মেয়েদের ক্ষমতায়ন করবে না, বরং অস্ট্রিয়ায় মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান বর্ণবাদী পরিবেশকে আরো তীব্র করবে।

মহিলা অধিকার সংগঠন আমাজোনের অ্যাঞ্জেলিকা অ্যাটজিঙ্গার বলেছেন, এই আইন মেয়েদের কাছে ভুল বার্তা পাঠাচ্ছে—তাদের শরীর নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের নয়।

এটি পিপলস পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের দ্বিতীয় হিজাব–নিষিদ্ধ উদ্যোগ। এর আগে ২০১৯ সালে ১০ বছরের নিচে মেয়েদের জন্য হিজাব নিষিদ্ধ করা হয়, যা সাংবিধানিক আদালত বৈষম্যমূলক বলে বাতিল করে দেয়। এবার সরকার পূর্বের ভুলগুলি এড়িয়ে চলার প্রচেষ্টা করছে, তবে শেটি নিজেও স্বীকার করেছেন যে এই আইন আদালতে টিকবে কিনা তা নিশ্চিত নয়।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ