বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ।। ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
আইজিপির সঙ্গে এফবিআই প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘ইরানে আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলায় বিশ্ব শান্তি হুমকির মুখে’ যে কারণে কওমি মাদরাসা আপনার জাকাত ও দানের বেশি হকদার যুব সংগঠক আমিনুল ইসলাম সাদীকে জাতীয় পদকে ভূষিত করার দাবি ‘নিরাপদ অভিবাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন আলেমরা’ নানুপুর মাদরাসায় ৪০ দিনের ইতেকাফে প্রায় তিন হাজার মুসল্লি শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে কওমি পড়ুয়া আব্দুল্লাহ সাঈদের ধারাবাহিক সাফল্য ‘দলীয় স্বার্থ বিবেচনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন পেছানো একটি ফ্যাসিবাদী প্রবণতা’ হবিগঞ্জ ইকরা শিশুদের যুদ্ধবিরোধী অভিনব প্রতিবাদ

ত্রাণ বন্ধের পর এবার গাজায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করছে ইসরায়েল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাজায় বন্দি বাকি ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিতে হামাসকে বাধ্য করার জন্য এবার সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। কাতারের রাজধানী দোহায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা শুরুর আগে এই নির্দেশ দিল ইসরায়েল সরকার।
গতকাল রোববার ইসরায়েলের জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন এ ঘোষণা দিয়েছেন। এর এক সপ্তাহ আগে ইসরায়েল গাজায় সব ধরনের ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। ইতোমধ্যে গাজায় ২০ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করেন।
গতকাল এক ভিডিও বার্তায় কোহেন বলেন, ‘জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা এবং যুদ্ধ শেষে গাজায় আর এক দিনও হামাসের অস্তিত্ব না থাকা নিশ্চিত করতে আমাদের হাতে যা কিছু আছে, তার সবই আমরা ব্যবহার করব।’
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হলে শুরুতেই গাজায় পানি বিশুদ্ধকরণ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়বে বলে মনে করছন বিশেষজ্ঞরা। গাজার বাসিন্দাদের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইসরায়েল সরকার বলেছে, গাজায় পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টিও উড়িয়ে দিচ্ছে না তারা।
আজ সোমবার কাতারে গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গাজায় ভঙ্গুর এক যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ ১ মার্চ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের বিষয়ে কোনো আলোচনা এখনো হয়নি।
ইসরায়েল চাইছে, হামাস তাদের যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের সময় বাড়ানোর প্রস্তাবে রাজি হোক। তবে হামাস যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা শুরু করতে চাইছে।
যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে বাকি জিম্মিদের মুক্তি, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার করে নেওয়া এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ অবসানের কথা বলা আছে।
ধারণা করা হচ্ছে যে হামাসের হাতে এখনো ২৪ জন জীবিত জিম্মি এবং ৩৫ জিম্মির মরদেহ আছে।
ইসরায়েল গাজায় ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার পর হামাস বলেছিল, এর প্রভাব গাজায় থাকা জিম্মিদের ওপরও পড়বে।
গতকাল বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণার পর গাজার স্বাধীনতাকামী সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা নিজেদের অবস্থানে কোনো ধরনের পরিবর্তন না করেই মিসরের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি আলোচনা শেষ করেছে। তারা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা দ্রুত শুরু করতেও বলেছে।
যুদ্ধে গাজার বেশির ভাগ অঞ্চল বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। সেখানে জেনারেটর ও সৌর প্যানেলের মাধ্যমে অল্প পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা আছে।
এরইমধ্যে গাজায় খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ইসরায়েল।েএমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ