মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬ ।। ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সব ধরনের এ‌ন্ট্রি ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কাতারের হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদীর জানাজা বায়তুল মোকাররমে রিয়াদে কানাডার দূতাবাস বন্ধের ঘোষণা উপনির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সফর স্থগিত মসজিদুল হারামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল চার্জিং স্টেশন চালু রমজানে বাংলাদেশের জন্য সৌদির বিশেষ কর্মসূচি ‘নারী ও শিশুর প্রতি নৃশংসতা রোধে অপরাধের শাস্তি দৃশ্যমান ও কঠোর হতে হবে’ দিনে তিন বার মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত ডিএনসিসির প্রখ্যাত বক্তা মাওলানা হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী আর নেই নদী তীরবর্তী এলাকায় জনসেবামূলক কাজ অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ 

কার্গিল যুদ্ধে সায় না দেওয়ায় আমাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় : নওয়াজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ

১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে তার সায় ছিল না। আর পাকিস্তানের তৎকালীন সেনাপ্রধান পারভেজ মুশারফের কার্গিল পরিকল্পনায় সায় না দেওয়ার জন্যই নাকি তাকে ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছিল। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তেমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। 

আগামী ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নওয়াজের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ) বা পিএমএল (এন)-ও। তার আগে নওয়াজের এই মন্তব্য ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সহজ করার ইঙ্গিত কি না, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

গত শনিবার একটি সাক্ষাৎকারে নওয়াজকে প্রশ্ন করা হয়, কেন তাকে বার বার ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছে। প্রশ্নের উত্তরে ১৯৯৯ সালের ঘটনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে নওয়াজ বলেন, আমি কার্গিল পরিকল্পনার কথা শুনে তার বিরোধিতা করি। বলি এটা সম্ভব হবে না। পরে আমার কথাই সত্যি বলে প্রমাণিত হয়। কিন্তু আমাকে ক্ষমতা হারাতে হয়।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির উপরে জোর দেন নওয়াজ। আলাদা করে উল্লেখ করেন ভারতের কথা। স্মরণ করিয়ে দেন যে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে কেবল তার আমলেই ভারতের দুই প্রধানমন্ত্রী (অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং নরেন্দ্র মোদী) পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, কারাবন্দী  ইমরান খানকে ‘অনভিজ্ঞ’ বলেও কটাক্ষ করেন।

নওয়াজের দাবি, তার দল (পিএমএলএন) শাসনভার গ্রহণ না করলে অর্থনীতি খাদের কিনারায় পৌঁছে যেত।

১৯৯৯-এর মে মাসে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে মুশকো, দ্রাস, কাকসার এবং বাতালিক সেক্টর, কার্গিল সেক্টরে ঢুকে পড়েছিল পাকবাহিনী। তাদের সরিয়ে দিতে অভিযানে নামে ভারতীয় সেনা। সেই অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন বিজয়’। ১৯৯৯ সালের মে থেকে জুলাই কার্গিল যুদ্ধে নিহত হয়েছিল প্রায় ৫০০ জন ভারতীয় জওয়ান। সে সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নওয়াজ।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ