রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা-প্রজন্ম সম্মেলন সফল করতে মজলিসে শুরার যৌথ সভা নবীপ্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেল ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ সেরা হজ গাইডদের পুরস্কার ৫ লাখ টাকা, ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর ঘোষণা ১১৫ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ায় মাওলানা আরশাদ মাদানীর ক্ষোভ ইসলামী আন্দোলন মুলাদী উপজেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের জীবন পড়ে জার্মান নারীর ইসলাম গ্রহণ ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আশারা চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের কর্মযজ্ঞ ‘মসজিদকে পরিবর্তনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার দায়িত্ব ইমামদের’ শীঘ্রই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বেড সংকট দূর হবে: ত্রাণমন্ত্রী জেদ্দায় ইসলামি ফিকহ একাডেমির সেমিনারে যোগ দিচ্ছেন মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ

আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের তত্ত্বাবধানে বাগেরহাটের মোল্লাহাটে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও দরিদ্র মানুষের মাঝে হুইলচেয়ার ও ভ্যান বিতরণ করা হয়েছে। তাগলীবে দ্বীন ফাউন্ডেশনের (টিডিএফ) উদ্যোগে এবং এতিম অ্যান্ড গরিব ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মোল্লাহাট কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মোল্লাহাট উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন এতিম অ্যান্ড গরিব ট্রাস্ট ফান্ডের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা সালেহ আহমদ হামিদী।

অনুষ্ঠানে মোল্লাহাট, চিতলমারী ও ফকীরহাট উপজেলার ৫০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তির প্রত্যেককে একটি করে হুইলচেয়ার এবং ৫০ জন দরিদ্র মানুষের প্রত্যেককে একটি করে ভ্যান দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ৫০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষকে হুইলচেয়ার দেওয়ার মাধ্যমে তাদের জীবনকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় ও সচল করার চেষ্টা করা হয়েছে। একইভাবে ৫০ জন খেটে খাওয়া মানুষকে ভ্যান দিয়ে তাদের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আল্লাহ এ উদ্যোগে বরকত দান করলে উপকারভোগীরা নিজেদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।

আল্লামা মামুনুল হক আরও বলেন, অনেক দরিদ্র মানুষ সারাদিন পরিশ্রম করে ভ্যান চালিয়ে যে অর্থ উপার্জন করেন, তার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ভ্যানের মালিককে ভাড়া হিসেবে দিতে হয়। নিজস্ব ভ্যান পাওয়ার ফলে এখন তারা নিজেদের শ্রমের উপার্জনের পুরোটা পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে ব্যয় করতে পারবেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের ফলে উপকারভোগীদের পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরবে এবং তাদের জীবনযাত্রায় কিছুটা হলেও স্বাচ্ছন্দ্য আসবে।

আয়োজকরা জানান, দরিদ্র ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ