শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু ‘কার্ডের গণতন্ত্র দিয়ে জনগণের ৭০ শতাংশ রায়কে বিভ্রান্ত করা যাবে না’ সাহারানপুরে মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ওয়াইসি কলকারখানা বন্ধে লাখো শ্রমিক বেকার হওয়া উদ্বেগজনক: গাজী আতাউর রহমান মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাকের জানাজায় মজলিস নেতারা ‘ঘুষ ও দুর্নীতি নির্মূল করতে না পারলে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থেকে যাবে’ গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানে-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩ দেশে ফিরলেন ইথিওপিয়ায় অপহরণের শিকার দুই বাংলাদেশি জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

কলকারখানা বন্ধে লাখো শ্রমিক বেকার হওয়া উদ্বেগজনক: গাজী আতাউর রহমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

তেল-গ্যাসসহ প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের সংকটের অজুহাতে দেশের বিভিন্ন শিল্প-কারখানা বন্ধ করে দেওয়ায় লাখো শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়ছেন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, এতে শ্রমিক ও তাদের পরিবার-পরিজনের জীবন-জীবিকা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে দেশের শিল্প ও অর্থনীতির জন্যও এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের এক বিশেষ বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের শ্রম ও ঘামে শিল্প-কারখানা সচল থাকে এবং জাতীয় অর্থনীতি এগিয়ে যায়। অথচ জ্বালানি সংকট, গ্যাস-বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া ও বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার কারণে যদি একের পর এক কলকারখানা বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে এর সবচেয়ে বড় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে।

তিনি বলেন, শিল্প-কারখানা বন্ধের ফলে বেকারত্ব বাড়বে এবং এর পাশাপাশি সামাজিক অস্থিরতাও বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নেছার আহমেদ বলেন, শিল্প-কারখানা বন্ধের আগে সরকারকে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষ, শ্রমিক সংগঠন ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি অবিলম্বে শিল্প-কারখানাগুলো সচল রাখতে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ নেওয়া, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও বেতন-ভাতা সুরক্ষা এবং শিল্পখাতের দীর্ঘমেয়াদি সংকট নিরসনে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানান।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ সিদ্দিকুর রহমান, হারুন অর রশীদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল এইচ এম রফিকুল ইসলাম, ওবায়েদ বিন মোস্তফা, শাহ জামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের জাতীয় কাউন্সিল ৯ অক্টোবর

এদিকে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের জাতীয় কাউন্সিল আগামী ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান ও সেক্রেটারি জেনারেল কে এম বিল্লাল হোসাইন।

শনিবার তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানান।

জাতীয় কাউন্সিলে দেশের শ্রমিকদের অধিকার, কর্মসংস্থান, ন্যায্য পাওনা, শিল্প-কারখানার বর্তমান পরিস্থিতি এবং শ্রমজীবী মানুষের সার্বিক কল্যাণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি শ্রমিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরবর্তী কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করা হবে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ