মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ।। ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
উম্মুল কুরা মহিলা মাদরাসার পরিচালকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন  প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে মাওলানা ইসলামাবাদী-ইকরামের নেতৃত্বাধীন জমিয়ত ‘তাহাফ্ফুজে ফিকরে আকাবির’ মহাসম্মেলন ৬ আগস্ট, প্রধান অতিথি দেওবন্দের মুহতামিম এই বাংলাদেশ দেখার জন্য বুলেটের সামনে দাঁড়াইনি: শায়খে চরমোনাই ‘হিজবুল বাহারের জাকাত’ নামে ধর্মীয় অনুষ্ঠান শরিয়তসম্মত নয়: মারকাযুদ দাওয়াহ কেন প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ বর্জন, কী বলছে জমিয়ত নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম মসজিদ পরিদর্শনে রাবেতা মহাসচিব জাকাত বোর্ডকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নতুন রাজনৈতিক প্রধান বেছে নিলো হামাস ‘চলো সংসদ’ ঘিরে উত্তাল দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট

জনরায় উপেক্ষার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না: পীর সাহেব চরমোনাই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, জনরায়কে অবজ্ঞা করার পরিণতি ইতিহাসে কখনোই শুভ হয়নি। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান—উভয় ঘটনার পেছনেই জনমতের প্রতি অবহেলার ভূমিকা ছিল। তাই গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল জনরায়কে অবজ্ঞা করার কারণে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পাটাতনও নির্মিত হয়েছে জনরায়কে উপেক্ষা করার কারণে। ইতিহাস সাক্ষী, জনরায় উপেক্ষা করার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আইনি মারপ্যাঁচ, কথার ফুলঝুরি কিংবা রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে গণভোটের রায় উপেক্ষা করবেন না। জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়ন করুন।”

ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, জুলাই সনদে বিএনপিসহ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছে। সেই সনদের ভিত্তিতেই ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি কখনোই গণভোটের বিরোধিতা করেনি। বরং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেও একাধিকবার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন।

তার ভাষায়, এখন সংসদে গণভোটকে ‘প্রতারণা’ বলা বিএনপির রাজনৈতিক অসততা ও শঠতা। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান, রাজনীতিতে অসততা ও শঠতার পথ পরিহার করুন। নির্বাচনের আগে নেওয়া অবস্থানে অটল থেকে গণরায়কে সম্মান জানান এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন। এতে নেতা হিসেবে আপনি, দল হিসেবে বিএনপি এবং রাষ্ট্র—সবাই উপকৃত হবে।

জরুরি সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক, নেহার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব মুফতি সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, কে এম আতিকুর রহমান, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ, দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীল নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ