মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি থাইল্যান্ডে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় রাজা-রানি ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী

আমরা ব্যর্থ হলে কলঙ্কজনক ইতিহাস রচিত হবে: পীর সাহেব চরমোনাই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইসলামি দলগুলোর একত্রিত হওয়াকে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। তবে এবারের এই সুযোগ ব্যর্থ হলে কলঙ্কজনক ইতিহাস রচিত হবে বলেও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছেন তিনি।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে ইসলামী ও সমমনা আট দলের বিভাগীয় সর্বশেষ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম বলেন, আমরা যারা দেশপ্রেমিক রয়েছি, মানবতা প্রেমিক রয়েছি, আমরা যদি ভুল করি, যদি ব্যর্থ হই। যখন আমাদের ইতিহাস প্রজন্ম লিখবে, তখন কলঙ্কজনক ইতিহাস আমাদের জন্য লিখবে।

বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য যারা পাগল হয়ে যাচ্ছিল, এখন ওরা নির্বাচনকে পেছানোর জন্য পাগল হয়ে গেছে। রাশি যখন বামে ঘোরে, তখন যত পরিকল্পনা সব বামেই যায়। আপনারা যত শয়তানি পরিকল্পনা করবেন, ততই বাংলাদেশের জনগণ থেকে আপনারা বিচ্ছিন্ন হবেন, কোনো সন্দেহ নেই।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, আজকে এ সমাবেশ প্রমাণ করে বাংলাদেশের মানুষ আমাদের পাঁচ দফার পক্ষে রয়েছেন। আমাদের এ দাবিগুলো নিয়ে আমরা রাস্তায় নামলাম কেন? এর মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্য হলো ৫ আগস্টে হাজার হাজার মায়ের কোল সন্তানহারা হলো। অনেকে চোখ হারিয়েছে, পঙ্গু হয়েছে। জনপ্রিয় নেতা ইলিয়াস আলী সাহেব গুম হয়ে ফেরত আসেনি। আর কোনোদিন আসবে বলে মনে হয় না। কিন্তু আজকে দুঃখের মধ্যে বলতে হয়, যে বাংলাদেশের মধ্যে ৫৩ বছর পর্যন্ত যারা আমাদেরকে জিম্মি করে রেখেছিলো তাদেরও চরিত্র আজ আমরা দেখেছি। তারা তাদের নিজেদের কাছে নিজেরা নিরাপদ নয়। আজকে তারা নিজেরা নিজেদের খেয়ে ফেলছে।

ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, আমার দুঃখ হয়, এত গুম হলো, যখন লাখ লাখ দলীয় নেতাকর্মীর জীবনকে বিপন্ন হলো, জেলের মধ্যে গেল। আমাদের দাবি ছিল জুলাই ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান। দেশকে সুন্দর করার জন্য সংস্কার হবে। এ খুনীদের, গুমিদের, টাকা পাচারকারীদের দৃশ্যমান বিচার হবে। এরপরে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে। কিন্তু আমরা দেখে হতবাক। আজকে সংস্কারের ব্যাপারে বাধা, দৃশ্যমান বিচারের ব্যাপারে বাধা।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ