সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যার্তদের পাশে ইসলামী আন্দোলন, চলছে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনে একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা মুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর 

জালেমরা সতর্ক না হলে লজ্জাজনক পরাজয় অপেক্ষা করছে


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

|| মুফতী মুঈনুল ইসলাম ||

একটি জাতি তখনই অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠে, যখন তাদের মাটি ও মাতৃভূমির প্রতি থাকে অকৃত্রিম ভালোবাসা। যুগ যুগান্তর পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে প্রান্তরে সংঘটিত হয়েছে অসংখ্য অসম যুদ্ধ। এসব যুদ্ধে কেবল জয়ী হয়েছে সেই পক্ষ, মাটি ও মাতৃভূমির প্রতি ছিল যাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা। অনেক দামি ও মূল্যবান সমরাস্ত্র, প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী এবং আধুনিক প্রযুক্তি এক্ষেত্রে কোনো কাজে আসেনি। 

হ্যাঁ, সাময়িকভাবে দুর্বল পক্ষের যুদ্ধে জয়লাভ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। কিন্তু জয় তাদেরই পদচুম্বন করেছে শেষ পর্যায়ে। বিশ্ব নিয়ন্তা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিয়ম হলো, তিনি মজলুম জাতির পক্ষে অনুগ্রহ প্রদান করেন। মানব ইতিহাসের নানা পরতে পরতে এই বাস্তবতা প্রাঞ্জল হয়ে আছে সমহিমায়। 

ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে যদি কোনো জাতি অসম যুদ্ধে নিপতিত হয়ে যায়, তাদের ভয় নেই, কিছুটা দেরিতে হলেও জয় তাদেরই পদচুম্বন করবে, এটাই মহান সৃষ্টিকর্তার চিরাচরিত নিয়ম। এই নির্মোহ মতামত আমি পৃথিবীর জাতিসমূহের ইতিহাস অধ্যয়নের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, কোনো পক্ষ অবলম্বন করে নয়। 

সুতরাং যেকোনো ধর্মের জালেম পক্ষের জন্য সময়ের আগেই সতর্ক হওয়ার সুযোগ আছে। অন্যথায় লজ্জাজনক পরাজয় তাদের জন্য অপেক্ষা করবে।

লেখক: প্রিন্সিপাল ও রেক্টর, জামিয়া ইসলামিয়া ঢাকা; বহু গ্রন্থপ্রণেতা

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ