মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

আমরা কি এই মহান মানুষটিকে চিনি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।। ড. মাহমুদুল হাসান।।

এই মানুষটি ১৯৯৪ সালে বাদশাহ ফয়সাল পুরস্কার গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছিলেন- ‘আমি যা লিখেছি, কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই লিখেছি। অতএব আপনারা আমার এই দ্বীন বিনষ্ট করবেন না।’

তিনি ছিলেন ড. মুহাম্মদ হামীদুল্লাহ— হায়দরাবাদী এক মহা মনীষী। যিনি ফ্রান্সে অর্ধশতাব্দী কাটিয়ে ইসলাম প্রচারে এতটাই নিবেদিত ছিলেন যে, তাঁর মাধ্যমে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেন।

তিনি ২২টি ভাষা জানতেন। আর জীবনের শেষ দিকে ৮৪ বছর বয়সে থাই ভাষাও শিখেছিলেন!

তিনি বিয়ে করেননি, কিন্তু জ্ঞানকে নিজের জীবনসঙ্গী করে নিয়েছিলেন। আর জন্ম দিয়েছিলেন ৪৫০টিরও বেশি বই এবং পৃথিবীর নানা ভাষায় ৯৩৭টিরও বেশি প্রবন্ধ।

তিনি ছাত্রদের সঙ্গে ফ্রান্সে সফরের সময় নিজ হাতে থালা-বাসন ধুতেন— অথচ তখনও বিশাল মনীষা-ব্যক্তিত্ব সুপরিচিত ও সুবিদিত।

পাকিস্তানের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হক তাঁর সীরাতচর্চার জন্য এক কোটি রুপির সম্মাননা দিতে চাইলেও তিনি তা ইসলামাবাদে অবস্থিত ইসলামি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে দিয়ে দেন। আর বলেছিলেন, ‘এই নশ্বর দুনিয়ায় যদি পুরস্কার নিয়ে নিই, তবে আখেরাতে কী অর্জন করব?’

এই মহৎ মানুষটি ২০০২ সালে ৯৪ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। আল্লাহ তাঁর কবরকে নূরে ভরে দিন এবং আমাদের এমন মানুষদের চেনার ও জানার তাওফিক দান করুন।

আসুন, তাঁদের কথা মনে রাখি- যেন আমাদের সত্যিকারের আদর্শ হারিয়ে না যায়…।

লেখক: যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট দাঈ ও ইসলামিক স্কলার

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ