বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬ ।। ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৬ রমজান ১৪৪৭


জাতীয় ঈদগাহে আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সাড়ে ৮টায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

রাজধানীতে আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে জাতীয় ঈদগাহে এ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া দেখা দিলে সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জামাতের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। 

গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় ঈদ জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়। পরে রবিবার (১ মার্চ) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মামুন আল মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত কার্যবিবরণীতে নিরাপত্তা, জনকল্যাণ ও ব্যবস্থাপনার বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়। 

নারী মুসল্লিদের জন্য ঈদগাহের দক্ষিণ পাশে আলাদা প্রবেশপথ ও নামাজের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধান জামাতের জন্য তিনজন আলেম ও তিনজন উপস্থাপকের তালিকা ধর্ম মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে একজন প্রধান ও একজন বিকল্প ইমাম, একজন ক্বারি ও বিকল্প ক্বারি এবং একজন উপস্থাপক ও বিকল্প উপস্থাপক মনোনীত হবেন।

ঈদের নামাজের পূর্বে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে হামদ, নাত ও ইসলামী গজল পরিবেশিত হবে। ঈদগাহ ময়দান সমতলকরণ, ঘাস কাটা, প্যান্ডেল নির্মাণ ও বৃষ্টির জন্য ত্রিপল স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। ওজুর পানি, পাত্র, মোবাইল টয়লেট ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা থাকবে। হাইকোর্ট মাজার মসজিদের ওজুর স্থান আগেই খুলে দেওয়া হবে।

অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনে গণপূর্ত বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর যৌথভাবে কাজ করবে। মাঠজুড়ে থাকবে মোবাইল টয়লেট ও বিশেষ মেডিকেল টিম।

মুসল্লিদের নিরাপত্তায় পুলিশ, র‍্যাব, এসএসএফ ও গোয়েন্দা সংস্থা মোতায়েন থাকবে। প্রবেশপথে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ে স্থাপন করা হবে। আগুন নেভাতে প্রস্তুত থাকবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইউনিট।

প্রথম কাতার দীর্ঘ রাখা হবে যেন ভিআইপি ব্যক্তিগণ অংশ নিতে পারেন। বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকদের জন্য সংরক্ষিত স্থান থাকবে। ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপে ‘ঈদ মোবারক’ লেখা ব্যানার স্থাপন করা হবে। বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সচিবালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন আলোকসজ্জিত করা হবে।

ঈদের দিন দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধাশ্রম ও দুস্থকল্যাণ কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য জাতীয় জাদুঘর, আহসান মঞ্জিল ও লালবাগ কেল্লা বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়েছে।

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর