বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

নির্বাচনকালীন ৬ দিন স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ছয় দিন দেশের স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি সকল স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে এ জরুরি প্রস্তুতির আওতায় আনা হয়েছে। 

এ সময় জেলা-বিভাগ থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত মেডিকেল টিম গঠন, সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা, জরুরি বিভাগ ও ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত সারাদেশের সব হাসপাতালগুলোতে পাঠানো এক জরুরি নির্দশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। 

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে এবং চিকিৎসা সেবায় কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো যাবে না।

এ নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রতিটি সিটি কর্পোরেশনে ৬টি করে মেডিকেল টিম গঠন করতে হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে থাকবে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে অন্তত ১টি মেডিকেল টিম। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা স্বাস্থ্য প্রশাসক জনবলের প্রাপ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী এসব টিমের সদস্য নির্ধারণ করবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জরুরি বিভাগে রোগীর চাপ বাড়তে পারে- এই বিবেচনায় প্রয়োজনে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিতে হবে। একই সঙ্গে সব সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত রোগী পরিবহন নিশ্চিত করা যায়। 

বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর জন্য আলাদা করে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করে জরুরি বিভাগ চালু রাখতে হবে। কোনো রোগী রেফার করার প্রয়োজন হলে আগে অবশ্যই প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে এবং যথাযথ কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে রেফার করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনে লজিস্টিক, অ্যাম্বুলেন্স ও জনবল সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে কোনো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান টানা ৭২ ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা যাবে না। জরুরি বিভাগ, ভর্তি বিভাগ, ল্যাব, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস সেন্টার, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টার যথারীতি খোলা রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনকালীন সময়ে জনসমাগম ও সম্ভাব্য সহিংস পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচন চলাকালে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা যেন নির্বিঘ্ন থাকে, সেটিই নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ