শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ।। ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাজীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ১১ বসতঘর হবিগঞ্জে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ আগামীকাল বায়তুল মোকাররমে জুমা-পূর্ব আলোচনা করবেন আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী বন্যাদুর্গতদের জন্য জুলাইয়ে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় বন্ধের উদ্যোগ হরমুজের পর লোহিত সাগরও বন্ধের হুমকি ইরানের তফসিল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রেরণের নির্দেশ ইসির ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে’  ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬ জুলাই শহীদদের স্মরণে বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থাকতেই সংবিধান সংস্কার সম্ভব : আলী রীয়াজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, নির্বাচনের আগে সংবিধানের বেশ কিছু বিষয় সংশোধন করা সম্ভব। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের এল ডি হলে আয়োজিত সংবিধান সংস্কার কমিশনের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী রীয়াজ বলেন, ‘একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচনের আগে সংবিধানের বেশ কিছু বিষয় অবশ্যই সংশোধন করা সম্ভব। তবে, সেটি একান্তই সরকারের ও রাজনৈতিক দলগুলোর বিবেচনার বিষয়। আমরা এজন্য কিছু সমস্যা শনাক্ত করে সরকারকে অবগত করেছি ও আশা করি দ্রুতই সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার করবেন। সুতরাং বলা যায় নির্বাচনের আগে সংবিধান সংস্কার অবশ্যই সম্ভব।’

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, ‘গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কার হবে কি-না সেটিও সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর বিবেচনার বিষয়। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মত পার্থক্য থাকলেও সংস্কার বিষয়ে তারা ঐকমত্য পোষণ করেন বলে আমার বিশ্বাস। রাজনৈতিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যা যা প্রয়োজন সেটা রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তর থেকে আসতে হবে এবং এটি বাইরে থেকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, ‘আগে কখনোই সংবিধান সংশোধনে জনগণের ম্যান্ডেট নেওয়া হয়নি, এবং এর ফলে অনেক ক্ষেত্রেই সংকট ও জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং এ প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করতে হবে যে তাদের মধ্যে যিনি ক্ষমতায় যান কিংবা না যান সকলেই সংস্কারের জন্য দায়িত্ব নিয়ে কাজ করবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনসংখ্যার গঠন বিবেচনায় ১০ শতাংশ তরুণ সদস্যকে রাজনৈতিক দলে অংশীদার করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পেছনের কারণ হচ্ছে তরুণদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করার চিন্তা ভাবনা। সংবিধানের বিষয়টি কীভাবে হবে সেটা সরকারের বিষয়। তারা রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তরুণদের ভূমিকা বেশি। তাই আইন প্রণয়নে তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। এটি রাজনৈতিক দলের কাছে কমিশনের একটি প্রস্তাবনা মাত্র।’

২১ বছর বয়সে নির্বাচনের অংশ নেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, ‘বয়স ২১ হলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জিত হবে। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো নিজ বিবেচনায় তাদের মনোনয়ন দেওয়ার কাজটি করবেন।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কমিশনের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ