বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
অত্যাধুনিক মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত হারামাইনে এ সপ্তাহে খুতবা দেবেন শায়খ মাহের ও শায়খ হুসাইন বিকেএম পল্টন থানা শাখার সভাপতি বদর ও সম্পাদক মনির ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরামর্শ ও হাসপাতালগুলোকে জরুরি নির্দেশ ৭ দলের সঙ্গে বসছে হেফাজত, আজ চোখ থাকবে বাবুনগরে শাপলা হত্যাকাণ্ড: হাসিনাসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা সাবেক আমির হাসপাতালে, দেখতে গেলেন বিকেএম মহাসচিব সরকারের শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগকে স্বাগত জানাল ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে মুফতি তাকি উসমানীর ফতোয়া, ব্যাখ্যা চাইল পাকিস্তান সরকার অনলাইনের দীনদার, পরিচয় নাকি মুখোশ?

দায়িত্ব নিলেন নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: সংগৃহীত

সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। রোববার (২৩ জুন) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ওয়াকার-উজ-জামান সদ্যবিদায়ী সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। আগামী তিন বছরের জন্য তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন।

নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের শ্বশুর মুস্তাফিজুর রহমানও একসময় সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৯৭-২০০০ মেয়াদে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমান।

শেরপুরের সন্তান ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরে কমিশন পান। দীর্ঘ ৩৯ বছরের সামরিক জীবনে তিনি একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন, একটি পদাতিক ব্রিগেড এবং পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস এবং সেনা সদর দপ্তরে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

চলতি বছরের শুরুতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের (পিএসও) দায়িত্ব থেকে চিফ অফ জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) করা হয় ওয়াকার-উজ-জামানকে। তার আগে ২০২০ সালের নভেম্বরে মেজর জেনারেল থেকে পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হন। তখনই তাকে সেনা সদর দপ্তরের সামরিক সচিবের দায়িত্ব থেকে পিএসও করা হয়।

ওয়াকার-উজ-জামান সেনা সদর দপ্তরের সামরিক সচিবের দায়িত্ব পান ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে। তার আগে তিনি নবম পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারও ছিলেন এক সময়। অ্যাঙ্গোলা ও লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সিনিয়র অপারেশন অফিসার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এই সেনা কর্মকর্তা।

সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন পাওয়া ওয়াকার-উজ-জামান মিরপুরের ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এবং যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব ডিফেন্স স্টাডিজ এবং যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ থেকে মাস্টার্স অব আর্টস ইন ডিফেন্স স্টাডিজ ডিগ্রি পান।

২০০৯ সালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক থাকাকালে বিডিআর বিদ্রোহ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়। ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে টানা তিন বছর বিজয় দিবস প্যারেডের প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করে তিনি ‘সেনাগৌরব পদক’ পান। এছাড়া সেনাবাহিনীতে কৃতিত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য পান ‘অসামান্য সেবা পদক’। ওয়াকার-উজ-জামান এবং তার স্ত্রী বেগম সারাহনাজ কমলিকা দুই মেয়ের বাবা-মা।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ