শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্গাপূজায় দেওয়া বক্তব্য নিয়ে ক্ষমা চাইলেন হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান পারস্পরিক দ্বন্দ্ব নয়, সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে: আমিরে মজলিস পার্বত্যাঞ্চলকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র চলছে: জমিয়ত ‘মুসলিম হওয়ার কারণে মানুষকে হেয় করা হচ্ছে, এতে আমি ক্লান্ত’ ‘সাজেকে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণ সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি’ ম্যানহাটনে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের দোয়া মাহফিল ও জুমাপূর্ব বক্তব্য নতুন প্রজন্মের ঈমান রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে: মাওলানা আরশাদ মাদানি ইসলাহি ইজতেমা সফল করতে ঢাকায় আঞ্জুমানে হেফাজতের মতবিনিময় সভা বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে শুরায়ি নেজামের প্রেস ব্রিফিং শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দারুল উলুম দেওবন্দের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট নেই: কর্তৃপক্ষ

রাতেই ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে নিম্নচাপ, আঘাত হানবে শুক্রবার


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
প্রতীকি ছবি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি বৃহস্পতিবার শেষ রাত নাগাদ ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’তে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান। এটি শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে ভোর নাগাদ গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ১১টি জেলায় আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে 'মিধিলি'। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ১১টি জেলায় এই ঘূর্ণিঝড়টির আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। জেলাগুলো হলো- সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম।

নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হলে বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৬৪ কিলোমিটার থেকে ৮৮ কিলোমিটার- এমন তথ্য জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি সর্বোচ্চ ৯০ কিলোমিটার গতিতে উপকূলে আঘাত হানতে পারে। 

তিনি বলেন, এটি এখন মোংলা ও পায়রা বন্দর থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এর এগিয়ে যাওয়ার গতি বিশ্লেষণ করলে বলা যেতে পারে, ঘূর্ণিঝড় হিসেবে এটি আগামীকাল দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানবে।

তিনি জানান, যেহেতু এখন পূর্ণিমা নেই এবং বাতাসের গতিবেগও কম, সেজন্য জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কাও অনেক কম। আবহাওয়া দপ্তর থেকে বিপৎসংকেত দেওয়া হবে। সেটা সাত মাত্রায় উঠলেই যেন দ্রুততার সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দেব, তারা যেন আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখেন।

আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত খাবার ও নিরাপদ খাবার পানি ব্যবস্থা রাখতেও নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ