ত্রিশের কোঠায় পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ভেতরে কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন শুরু হয়-যা হয়ত ততটা চোখে পড়ে না, কিন্তু প্রভাব ফেলে দীর্ঘমেয়াদে। এই সময়টাতে জীবনযাপনের ধরন, চাপ, এবং দেহের চাহিদা-সবকিছুর ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন। পুষ্টিবিদরা বলছেন, বয়স ৩০ পার হওয়ার পর কিছু নির্দিষ্ট সাপ্লিমেন্ট নিয়মিত গ্রহণ করলে শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা নিশ্চিত করা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, সাপ্লিমেন্ট মানেই বয়সভিত্তিক ভীতির প্রতিক্রিয়া নয়-বরং এটি একটি সচেতন প্রস্তুতি। বাজারে প্রচলিত মাল্টিভিটামিন, ক্যালসিয়াম বা প্রোটিন পাউডার সঠিকভাবে বেছে নেওয়া হলে শরীরের জন্য সহায়ক হতে পারে। নিচে তেমনই ৬টি বিজ্ঞানসম্মত সাপ্লিমেন্টের কথা তুলে ধরা হলো, যেগুলোর প্রয়োজনীয়তা ৩০ বছরের পর থেকেই বাড়তে থাকে।
১. মাল্টিভিটামিন
ব্যস্ত জীবন, অনিয়মিত খাবার, বা রেস্ট্রিকটেড ডায়েট-এসব কারণে শরীরে ভিটামিন বি, জিংক, আয়রন বা ফলেটের ঘাটতি হতে পারে। এক্ষেত্রে একটি উচ্চমানের মাল্টিভিটামিন সেই ঘাটতà¦