মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ।। ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদের দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিত্যপণ্যের আগাম সংকট শনাক্ত করবে এআই: বাণিজ্যমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর উৎপাদনে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস জাপানে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু দুরুদে ইব্রাহিম: অর্থ ও ফজিলত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি টুথপেস্টে বিষ, ফিরুন সুন্নতি মিসওয়াকে! শরীয়তপুরে বড়াইল মাদরাসার ইসলাহি মাহফিল সম্পন্ন মাদরাসাবিরোধী একপাক্ষিক প্রচারণা বন্ধ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান

রাফায় অভিযান না চালানো মানে ইসরায়েলের পরাজয়: নেতানিয়াহু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফা এলাকায় সেনা অভিযান না চালানো মানে পরাজয় বলে মন্তব্য করেছেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। 

তিনি বলেছেন, “রাফায় সেনা অভিযান না চালাতে সমালোচকদের অনেকে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন। তারা আসলে ইসরায়েলকে হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পরাজয় মেনে নিতে বলছেন।”

শনিবার টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব কথা বলেন নেতানিয়াহু।
রাফায় অভিযান চালালে চরম ‘বিপর্যয়কর’ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে- জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের এমন উদ্বেগের পরও শনিবার নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “আমরা যদি এটা (হামাস নির্মূল) অর্জন করেও ফেলি, তারপরও রাফায় প্রবেশ করব।”

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির বিরোধিতা করে বক্তব্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইসরায়েল যত দিন আমার নেতৃত্বে থাকবে, তত দিন আমরা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের একতরফা স্বীকৃতির তীব্র বিরোধিতা করে যাব।

৭ অক্টোবরের ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের পরও ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে সন্ত্রাসবাদের জন্য সবচেয়ে বড় উপহার। আর এটা ভবিষ্যতের কোনও শান্তি চুক্তির জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে।”

নেতানিয়াহু এমন সময়ে এ বক্তব্য দিলেন, যখন তেল আবিবে চলছে ইসরায়েলিদের তুমুল বিক্ষোভ। তাদের ভাষ্য, হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা না করে তাদের ত্যাগ করেছে নেতানিয়াহু সরকার। জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের আলোচনা আহ্বানও জানানো হয় বিক্ষোভে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের অভ্যন্তরে হামাসের হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হন। দেশটি থেকে প্রায় ২৪০ জনকে জিম্মি করেন হামাস যোদ্ধারা। সেদিন থেকেই গাজায় নির্বিচার হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে এখন পর্যন্ত ২৮ হাজার ৮৫৮ জন নিহত হয়েছেন। তাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। আহত হয়েছে আরও সাড়ে ৬৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। সূত্র: এএফপি

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ