মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

‘আমাদের শৈশবের সাহরি-ইফতারের আনন্দ ছিল অন্যরকম’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জনপ্রিয় অভিনেতা ডা. এজাজুল ইসলাম একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে তার শৈশবের রমজানের স্মৃতিচারণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা বাবা-মায়ের সঙ্গে রোজা করতাম। তখনকার সাহরি-ইফতারের আনন্দ ছিল অন্যরকম। সে আনন্দ সারা জীবনেও খুঁজে পাওয়া যাবে না।’

শৈশবের সাহরির স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, ‘আব্বা-আম্মা, ভাই-বোন— একসঙ্গে সাহরি করতাম। আমাদের সময় শীতকালে রোজা হতো। আম্মা উঠতেন সবার আগে। প্রচণ্ড শীতে। আমরা সাহরিতে ভর্তা ভাত-ই খেতাম বেশি। বেগুন ভর্তা কিংবা অন্য কোনো ভর্তা থাকত। ভর্তা দিয়ে খেয়ে দুধভাত খেতাম। সঙ্গে একটি কলা থাকত। এটা ছিল আমাদের প্রতিদিনকার সাহরির খাবার তালিকা।’

ইফতারও সাদামাটা ছিল উল্লেখ করে বলেন, ‘ইফতারে খেতাম কাঁচা ছোলা। তখন কেশর আলু নামে এক ধরনের ফল পাওয়া যেত। এতে প্রচুর পানি থাকত। সেটা খেতাম। সব মিলিয়ে সাদামাটা সাহরি ও ইফতার ছিল আমাদের।’

একরত্তি বয়সে প্রথম রোজা রাখেন এজাজ। কিন্তু ছোট্ট শরীর ধকল নিতে পারেনি। ক্ষুধা সহ্য করতে না পেরে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা। তার কথায়, ‘আমাকে কখনও রোজা রাখতে নিরুৎসাহিত করেনি বাবা-মা। প্রথম রোজার স্মৃতি এখনও মনে আছে। বয়স মনে নেই। তবে খুব ছোট বয়সে প্রথম রোজা রাখি। ইফতারের ঠিক পাঁচ মিনিট আগে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলাম। ক্ষুধায় চোখে কিছু দেখিনি। ছোট শরীর সারাদিন না খেয়ে থাকার ধকল নিতে পারেনি। আম্মা পাশে বসা ছিলেন। ওনার কোলে পড়ে গিয়েছিলাম।’

সাহরির সেই ঘুম ভাঙানিয়া গান এখনও জনপ্রিয় এ অভিনেতাকে শৈশবে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘তখন সাহরিতে গান গেয়ে সবাইকে ডাকা হতো। ঘুম ভাঙাতে মাঝরাতে দল বেঁধে ডাকত। সে ডাক শুনে আমরা উঠতাম। ডাকগুলো খুব মধুর ছিল।’

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ