শুক্রবার, ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :

নাস্তিকদের হেদায়েতের জন্য একটি বই!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

||মাওলানা উবায়দুর রহমান খান||

দিল্লিতে প্রখ্যাত নাস্তিক জাবেদ আখতার বনাম মুফতি শামায়েল নদভীর ‘ঈশ্বর কি আছেন?’ শীর্ষক ঐতিহাসিক বিতর্ক যখন সারা বিশ্বকে কাঁপাচ্ছিল, তখন রাজধানীর এক সেমিনারে আলোচনা হয় বহু বছর আগের একটি কিতাবের।

প্রাচীন নাস্তিক সংস্থা ইন্ডিয়ান যুক্তিবাদী সমিতির অনেকগুলো নাস্তিক্যবাদী জিজ্ঞাসার জবাবে দারুলউলুম দেওবন্দের অর্ধ শতাব্দী কালের অধিক সময়ের মুহতামিম ইসলামের দার্শনিক হজরত মাওলানা কারী মুহাম্মদ তাইয়েব রহ. এর লেখা বিশ্লেষণমূলক কিতাবটির নাম ‘ফালসাফায়ে নিয়ামত ও মুসিবত’ নিয়ে ছিল এ আলোচনা।

কবি কাইফি আজমির কন্যা শাবানা আজমী'র স্বামী কবি ও গীতিকার জাবেদ আখতার মুজাহিদ আলেম মাল্টার বন্দী মাওলানা ফজলে হক খায়রাবাদীর মেয়ে সায়িদুননিসা হিরমা বেগমের স্বামী আহমদ হাসান রুসওয়ার দিক দিয়ে মাওলানা সাহেবের দূর সম্পর্কের লতাপাতা। জাবেদ আখতারের পিতা জাঁ নেসার খায়রাবাদী, দাদা মুজতার খায়রাবাদী। তার পিতা রুসওয়া ইউরোপের মাল্টায় বৃটিশবিরোধী আলেম বন্দীদের নির্মূলের মৃত্যুদ্বীপে বসে কাফনের কাপড়ে কয়লা দিয়ে ‘আস সাওরাতুল হিন্দিয়া১৮৫৭’ উপমহাদেশের মহাবিপ্লব ১৮৫৭ কিতাবটি লেখক মাওলানা ফজলে হক খায়রাবাদী রহ.এর জামাতা।

নাস্তিক জাবেদ আখতার ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান, ইংরেজি ও যুক্তিবিদ্যা কিছুই ঠিকমতো জানেননা বলে নাতিসম তরুণ মাওলানা শামায়েল নদভীর সাথে এক মিনিটও বিতর্কে টিকে থাকতে সক্ষম হননি। জাবেদ আখতার সাহেবকে কেউ কারী তাইয়েব সাহেব হজুরের এই কিতাবটি পড়তে দিন। উর্দু ভাষায় রচিত হওয়ায় তিনি পড়ে বুঝতেও পারেন। যদিও এর বিষয়বস্তু মারাত্মক কঠিন। ভাষা জানলেও এর বিষয় বোঝা সবার জন্য সহজ নয়। এবিষয়ে তাকে কোনো দার্শনিক আলেম সহায়তা করলে ভালো হবে। এতে চলমান বিতর্কের সব বিষয় বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে।

লেখক: সিনিয়র লেখক, সাংবাদিক, বিশ্লেষক ও দার্শনিক

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ