সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

ভোট কারচুপির প্রমাণ দিতে পারলে চাকরি ছেড়ে দেব: জাকসু সিইসি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপি বা জালভোটের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে চাকরি ছাড়বেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অধ্যাপক মনিরুজ্জামান বলেন, “হলগুলোতে কয়েক ধাপে ভোটারদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট ছিলেন, পোলিং অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করেছেন। সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরায় নজরদারি এবং জায়ান্ট স্ক্রিনে প্রদর্শনের মাধ্যমে সবার সামনেই ভোট হয়েছে। কেউ সরাসরি আমার কাছে ভোট কারচুপির অভিযোগ তোলেননি।”

তিনি আরও বলেন, “কিছু শিক্ষার্থীর দাবির কারণে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা করতে হয়েছে, এ কারণেই ফলাফল দিতে বিলম্ব হয়েছে। কিন্তু যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তারাই পরবর্তীতে নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে চেয়েছেন। যদি কমিশনের কোনো সদস্যের আপত্তি থাকত, তাহলে ভোটের দিনই পদত্যাগ করতেন। পরে পদত্যাগ করে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।”

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “ভোট গণনায়ও একাধিক শিক্ষক যুক্ত ছিলেন এবং গণনা প্রক্রিয়াও সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনেই হয়েছে। তাই ভোট নিয়ে কোনো কারচুপির অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমি শুধু চাকরি ছাড়ব না, পেনশনের টাকাও গ্রহণ করব না।”

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ