সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ ।। ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৪ মহর্‌রম ১৪৪৮


তালিবুল ইলমদের কুধারণা ও গিবত থেকে বিরত থাকতে হবে: শায়খে যাত্রাবাড়ী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

হাইয়্যাতুল উলয়ার চেয়ারম্যান ও বেফাকের সভাপতি শায়খে যাত্রাবাড়ী আল্লামা মাহমূদুল হাসান রোববার (২৮ জুন) রাতে ময়মনসিংহের চরখরিচা মদিনা মসজিদে দীর্ঘ সময়ব্যাপী বয়ান ও দাওরায়ে হাদিসের দরস প্রদান করেন। বাদ এশা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সাধারণ বয়ান এবং এরপর রাত ১১টা থেকে রাত ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সহিহ বুখারি শরিফের দরস পরিচালনা করেন তিনি।

বয়ানে তিনি বলেন, একজন ছাত্র আল্লাহর কাছে কবুল হওয়ার অন্যতম লক্ষণ হলো কোনো হক্কানি আলেম কিংবা দ্বীনি ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে কুধারণা পোষণ না করা। তিনি বলেন, কোনো হক্কানি আলেমের প্রতি খারাপ ধারণা সৃষ্টি হলে তা আত্মসমালোচনার বিষয়; কারণ এটি ইলম অর্জনের পথে অন্তরায় হতে পারে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক—যেকোনো বড় আলেমের ব্যাপারে বদগুমানি থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ কুধারণা মানুষকে ধীরে ধীরে আরও দুটি বড় গুনাহের দিকে নিয়ে যায়—অন্যের দোষ খোঁজা (তাজাসসুস) এবং গিবত। মানুষের প্রতি কুধারণা জন্মালে তার দোষ অনুসন্ধানের প্রবণতা তৈরি হয়, আর দোষ পেলে তা অন্যের কাছে আলোচনা করার মাধ্যমে গিবতের মতো মারাত্মক গুনাহ সংঘটিত হয়।

আল্লামা মাহমুদুল হাসান বলেন, এভাবে একজন ব্যক্তি একই সঙ্গে তিনটি গুনাহে জড়িয়ে পড়ে—কুধারণা, অন্যের দোষ অনুসন্ধান এবং গিবত। এসব গুনাহ ইলমের বরকত ও গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করে।

বক্তব্যে তিনি পবিত্র কুরআনের সুরা আল-হুজুরাতের ১২ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করে বলেন, আল্লাহ তাআলা মুমিনদের কুধারণা, গুপ্তচরবৃত্তি ও গিবত থেকে কঠোরভাবে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

শেষে তিনি শিক্ষার্থীদের নিজের দৃষ্টি ও অন্তরকে পরিশুদ্ধ রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্যের দোষ না দেখে নিজের সংশোধনের চেষ্টা করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে যেন তিনি সবাইকে এসব গুনাহ থেকে হেফাজত করেন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ