নেত্রকোনার দুর্গাপুরে মসজিদ কাম ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি নির্মাণ হলেও সড়ক না থাকায় মসজিদে যেতে পারছেন না মুসল্লিরা। তড়িঘড়ি করে জায়গা নির্ধারণ এবং অপরিকল্পিত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ স্থানীয়দের। ফলে ঈদগাহ মাঠটিও সম্পূর্ণ ব্যবহার করতে না পেরে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
জানা যায়, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দেশব্যাপী নির্মাণ করা হয় ৫৬০টি মডেল মসজিদ কাম ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এরই ধারাবাহিকতায় নেত্রকোনা জেলাতেও বাস্তবায়ন হয়েছে ১০টি মসজিদ নির্মাণ। এর মধ্যে দুই দফায় টেন্ডার দিয়ে অবশেষে সড়ক ছাড়াই নির্মাণ হয়েছে সীমান্তবর্তী উপজেলা দুর্গাপুরের মসজিদটি।
তড়িঘড়ি করে উপজেলার একমাত্র ঈদগাহ মাঠের ঠিক মাঝখানে করায় মাঠটিও এখন পড়ে গেছে পেছনে। অন্যদিকে পুকুরের ওপর চলে এসেছে মসজিদের সিঁড়ি। সব মিলিয়ে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ গণপূর্তের এমন কান্ডে।
জানা গেছে, ৪৩ শতাংশ জায়গায় ১২ কোটি ২৩ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৭ টাকা চুক্তিমূল্যে ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল প্রথম কার্যাদেশ পায় ঠিকাদার এস আলম এন্টারপ্রাইজ। ১৫ মাস মেয়াদি তিনতলা বিশিষ্ট ভবনটির কাজ শেষ না হওয়ায় ২০২৩ সালের ৫ জুন কার্যাদেশ বাতিল হয়। কিন্তু প্রথম দফায় ব্যয় ধরা হয় ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৮ এপ্রিল সাইট হস্তান্তর ও পুনরায় কার্যাদেশ পায় আতাউর রহমান খান লিমিটেড ও অসীম সিংহ জেভি।
দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা জানান, যেহেতু হয়ে গেছে তাই এই জায়গায় যাতে এটি সচল করা যায়, মানুষ যাতে প্রবেশ করতে পারে পুকুরের পাশ ঘেঁষে আমরা সেটির ব্যবস্থা করছি। উপজেলায় পদ্মপুকুর নামে আরও একটি পুকুর ছিল যেটি ভরাট করে স্থাপনা হয়ে গেছে সেটির বিষয়েও অভিযোগ পেয়েছি। কিন্তু ভরাট তো হয়েই গেছে। তাই এই পুকুর ভরাট না করেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জেডএম/
